বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে মিড ডে মিলে (Mid Day Meal) বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের স্বার্থে বেশ কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। এবার মিড ডে মিল তথা পিএম পোষণের সমীক্ষার প্রক্রিয়ায় কিছু বদল আনা হল। অতীতের প্রক্রিয়া সামান্য পরিবর্তন করে স্থানীয় প্রশাসনকেই পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মিড ডে মিলের সমীক্ষা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত | (Mid Day Meal)
বিকাশ ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের বিশেষ দলের সহযোগিতায় আগামী ডিসেম্বর মাস অবধি রাজ্য জুড়ে পিএম পোষণের সার্বিক পরিস্থিতির সামাজিক সমীক্ষা চালানো হবে। তবে এবার থেকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে শুধুমাত্র রিপোর্ট পাঠালেই হবে না। স্থানীয় প্রশাসনকে প্রাথমিক পদক্ষেপও নিতে হবে। পরিদর্শনের পাশাপাশি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর।
আরও পড়ুনঃ রোজ উপকৃত হবেন প্রায় ৮৫ লাখ মহিলা! ফ্রি বাস পরিষেবার পরিধি আরও বাড়াল রাজ্য
এই বিষয়ে দফতরের এক কর্তা জানান, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের অধীনস্থ সোশ্যাল অডিট ইউনিটের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৫ হাজারের বেশি স্কুলে এই পরিদর্শন কাম সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। এর আগেও এই সমীক্ষা হয়েছে। তবে এবার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া একটু অন্যভাবে করা হচ্ছে।
বিকাশ ভবন সূত্রে খবর, এবার স্থানীয় প্রশাসনকেই পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমীক্ষা রিপোর্টের পাশাপাশি অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টও দফতরে পাঠাতে হবে। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে জেলাশাসকের দফতর, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিককেও এই কাজে যুক্ত করা হচ্ছে।
স্কুল শিক্ষা দফতরের ওই কর্তা জানান, প্রথমে ওই সমীক্ষকদলের অধিকর্তার সঙ্গে দফতরের একটি বৈঠক হয়। এরপর সমীক্ষার মধ্যে কোন কোন বিষয় রাখতে হবে তার একটি তালিকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম, মিড ডে মিল বা পিএম পোষণের খাবারের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও গুণগত মান। পাশাপাশি কোনও রকম আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

ওই কর্তা বলেন, এতদিন অবধি সমীক্ষা করে দফতরে রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেই রিপোর্ট অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হত। এর ফলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করতে অনেকটা সময় লেগে যেত। তবে এবার সেই প্রক্রিয়ায় গতি আনতে জেলা স্তরের প্রশাসন ও স্থানীয় পঞ্চায়েতকে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গেই অভিভাবকদের মতামতকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ, পিএম পোষণের সার্বিক পরিষেবা নিতে অভিভাবকদের কী মতামত সেটা জানতে হবে ও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজন অনুসারে স্থানীয় প্রশাসন পরামর্শও দেবে।













