মুসলিম মহিলারা ভরে ভরে পেয়েছেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা, সংখ্যা জানিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সরকারের সুপারহিট প্রকল্প গুলির মধ্যে একটি অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)। সেপ্টেম্বর মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকেছে দেড় লক্ষেরও বেশি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে। মঙ্গলবার ছিল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। এদিন উপনির্বাচনে বিজেপির বড় মার্জিনে জয়ের আশার কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) মুখে উঠে আসে অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর | Annapurna Yojana

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমাদের যে ট্র্যাডিশনাল ভোটার, সেই ভোটটা আমরা আরও বাড়াতে পারব।” কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “ওই ভোটের মধ্যে তার সঙ্গে প্রায় ৭০ হাজার অন্নপূর্ণা যোজনা রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ হাজার মুসলিম মহিলারা পেয়েছেন। তাঁদের বলা হয়েছিল বিজেপি এলে মুসলিমদের বঞ্চিত করবে। রাজ্যের ১ কোটি ৫৮ লক্ষ অন্নপূর্ণা প্রাপকদের মধ্যে ২৪ লক্ষ মুসলিম মহিলা।”

এছাড়া এদিন ভোটে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” সংখ্যালঘু মহিলা ও যুবকরা আমাদের ভোট দিয়েছেন। সংখ্যালঘু বয়স্ক লোকজনদের ভোট আমরা খুব একটা পাইনি। ওরা হুমায়ুন বাবুর ছেলেকে বা কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছে। তৃণমূলের অস্তিত্ব কোথাওই ছিল না। ওখানে বামেদেরও একই অবস্থা। নন্দীগ্রামে CPI এক হাজার বা দেড় হাজার ভোট পাবে কি না সন্দেহ। একই ভাবে রেজিনগরে CPM সংখ্যা পঞ্চম, ষষ্ঠ বা নোটার নীচেও থাকতে পারে। দুটো জায়গাতেই বামেদের কোনও অস্তিত্ব ছিল না।”

এর আগে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী মনোনয়ন পেশের সময় সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “নন্দীগ্রামে প্রায় ২৭ শতাংশ সংখ্যালঘু রয়েছে। রেজিনগরে প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু রয়েছেন। এবার সুযোগ রয়েছে। যদি ভোট দেন, তাহলে হাতে হাত মিলিয়ে আমরা একসঙ্গে চলব। উন্নয়নের সুযোগ সবাই পাচ্ছেন, সবাই পাবেন।” সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “আমরা মোদীজির সৈনিক। উন্নয়নে ভেদাভেদ করি না। আপনারা সবাই আমাদের হিন্দুদের দল বলে বলেন।”

আরও পড়ুন: মহালয়ার আগে আরও ৩% DA বাড়ল রাজ্য সরকারি কর্মীদের, পয়লা অক্টোবর থেকেই কার্যকর

উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলাদের মাসে মাসে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হয় মহিলাদের। গত মাসে দেড় কোটির বেশি উপভোক্তা এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘুও।