বাংলাহান্ট ডেস্ক: পুলিশি কাজের পাশাপাশি এ বার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) প্রযুক্তিতেও দক্ষ হতে হবে আইপিএস আধিকারিকদের। শিখতে হবে চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) ও জেনারেটিভ এআই (Generative ArtificialIntelligence)-এর ব্যবহার। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছেন যাঁরা, তাঁদের শরীর ও মন ভালো রাখার কৌশলও রপ্ত করতে হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নতুন নির্দেশিকায় প্রশিক্ষণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই কোর্সগুলিতে আধিকারিকদের পারফরম্যান্স তাঁদের বার্ষিক কর্মমূল্যায়ন রিপোর্টে প্রতিফলিত হবে, যা পেশাগত উন্নতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
IPS অফিসারদের AI (Artificial Intelligence) প্রযুক্তিতেও দক্ষ হওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের
‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দপ্তরের নির্দেশ মেনে দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিবদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সরকারি কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘আইগট কর্মযোগী’-তে এই প্রশিক্ষণ নিতে হবে। মোট ২৪টি কোর্সকে চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী প্রতিটি বিভাগে ছ’টি করে কোর্স রয়েছে, যার মধ্যে প্রথম তিনটি বাধ্যতামূলক (Artificial Intelligence)।
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনায় KYC করার সহজ উপায়, রইল বিস্তারিত তথ্য
২০১৮ সাল বা তার পরের ব্যাচের আইপিএস আধিকারিকদের নতুন প্রযুক্তি, এনডিপিএস আইনের অধীনে তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করার পদ্ধতি এবং সাইবার নিরাপত্তার প্রাথমিক বিষয়গুলি শিখতে হবে। ২০১১ থেকে ২০১৭ সালের ব্যাচের অফিসারদের জন্য রয়েছে নতুন প্রযুক্তি, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং অপরাধবিচার ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ। এর মাধ্যমে তদন্ত ও প্রশাসনিক কাজে তাঁদের দক্ষতা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
২০০১ থেকে ২০১০ সালের ব্যাচের আধিকারিকদের নতুন প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তার পাশাপাশি গল্প বলার কৌশল, চ্যাটজিপিটি এবং জেনারেটিভ এআই সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তথ্য বিশ্লেষণ এবং কাজের পদ্ধতি উন্নত করাই এই প্রশিক্ষণের অন্যতম উদ্দেশ্য। পুলিশের কাজের ধরন দ্রুত বদলাচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে আধিকারিকদেরও নতুন দক্ষতা অর্জনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

যাঁরা ২৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে চাকরি করছেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ। তৃতীয় বিভাগের কোর্সগুলির পাশাপাশি তাঁদের ‘ইন্টিগ্রেটিভ ওয়েলনেস’ শিখতে হবে, যার লক্ষ্য শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখার কৌশল সম্পর্কে ধারণা দেওয়া। নির্দেশিকায় প্রশিক্ষণের ফলকে বার্ষিক কর্মমূল্যায়নের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তবে কোর্স সম্পূর্ণ করলেই বেতনবৃদ্ধি বা পদোন্নতি নিশ্চিত নয়; কর্মমূল্যায়নের অন্যান্য বিষয়ও সেই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ থাকবে (Artificial Intelligence)।












