অন্নপূর্ণা যোজনার প্রাপকদের নবান্ন থেকে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, প্রশংসা সংখ্যালঘু দিদি-বোনদের

Published on:

Published on:

annapurna yojana(92)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ উপনির্বাচনের ফলাফল সকলের সামনে। নন্দীগ্রাম, রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির অভাবনীয় সাফল্য। রীতিমতো গেরুয়া ঝড়। বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিজেপির দুই প্রার্থী। বাকি অনেক পেছনে। এই জয়ের পর বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিপুল জয়ের নেপথ্যে সরকারি কল্যাণমূলক প্রকল্পের ভূমিকা আছে বলেই মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

উপনির্বাচনে জয়ের পর অন্নপূর্ণা যোজনার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর | Annapurna Yojana

এদিন নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারি প্রকল্প অন্নপূর্ণা যোজনার সুফল পাওয়া সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলারা দু’হাত তুলে বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছেন। উপনির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই অন্নপূর্ণা প্রাপকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

CM Suvendu Adhikari

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাব নন্দীগ্রামের ৭০ হাজার ৩০০ এবং রেজিনগরে প্রায় ৭০ হাজারের কাছাকাছি অন্নপূর্ণা যোজনা প্রাপক মহিলাদের। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে তাঁরা সপরিবারে ভারতীয় জনতা পার্টিকে ভোট দিয়েছেন।” এদিন রেজিনগরের সাফল্যে সংখ্যালঘু মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই এত বড় জয়, এত বড় ফল কখনোই হত না যদি না রেজিনগরের ৩৫০০০ সংখ্যালঘু মুসলিম দিদি-বোন, অন্নপূর্ণা প্রাপকরা তাঁদের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের ভোট না-দিতেন।”

মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন, “আমরা যে ভোট পেয়েছি রেজিনগরে, তার মধ্যে গরিষ্ঠ সংখ্যক অংশ সংখ্যালঘু ভোট।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ অন্নপূর্ণা প্রাপকের মধ্যে ২৪ লক্ষ মুসলিম মহিলা এবং বার্ধক্য ও বিধবা ভাতার সুবিধাভোগীদের মধ্যেও বহু সংখ্যালঘু পরিবারও রয়েছে।

Nandigram Rejinagar By-Election BJP candidates won in both seats

আরও পড়ুন: রেজিনগরে ভোটার কম, BJP-র ভোট বেশি? অভিষেকের ‘মিথ্যে কথা’ তথ্য দিয়ে খারিজ করল কমিশন

এদিন বঙ্গে বিজেপির ঘাঁটি আরও মজবুত করার পর মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদেরও কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি। বিরোধীদের সমস্ত মিথ্যাচারকে গুঁড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে বলা হয়েছিল বিজেপি ক্ষমতায় এলে সংখ্যালঘুদের বাংলাদেশে বা ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে, ধর্মীয় স্বাধীনতায় আঘাত আসবে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি দেখে মানুষের বিশ্বাস এসেছে। তিনি বলেন, “বিরোধীদের সমস্ত মিথ্যাচার গত পাঁচ মাসে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার কারণেই মূল স্রোতে এসে সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চান, বন্ধুত্ব করতে চান।”