কাউন্সিলর হওয়ার স্বপ্ন দেখেন? বিজেপির ড্রপ বক্সে জমা দিন নিজের বায়োডেটা

Published on:

Published on:

Submit your biodata to BJP's drop box to become a councilor
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : পুজো শেষ হলেই পুরসভার নির্বাচন (Municipal Election)। তাই আগেভাগেই প্রার্থী খোঁজার কাজে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। এবার পুরভোটে শুধু দলের নেতা-কর্মীদের নয়, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদেরও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিতে চাইছে গেরুয়া শিবির। কীভাবে আবেদন করা যাবে এবং প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তা জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

কাউন্সিলর হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে বিজেপি (BJP), জানালেন সুকান্ত মজুমদার

বিজেপির প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সুকান্ত। চিকিৎসক, শিক্ষক-সহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সেই উদ্দেশ্যে কলকাতার ৬ মুরলীধর সেনের বিজেপি কার্যালয়ে একটি ড্রপ বক্স রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এই প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে ৬ মুরলীধর সেনে বিজেপির পার্টি অফিসে একটি ড্রপ বক্স রাখা হবে। পার্টি অফিস খোলা অবস্থায় সমস্ত স্তরের মানুষ (বিজেপির কর্মী হতে পারেন বা নাও পারেন। সমাজের প্রথিতযশা মানুষ ডাক্তার, শিক্ষক) । সবাইকে বলছি, গ্যালারি থেকে বসে হাততালি দিলে হবে না, আপনারা পিচে নেমে খেলুন। স্বচ্ছ পুরনিগম তৈরি করতে চাই।”

আগ্রহীদের নিজেদের নাম ও বায়োডেটা মুরলীধর সেনের পার্টি অফিসে রাখা ড্রপ বক্সে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, পুর প্রশাসনে প্রোমোটার ও ডেভেলপারদের প্রভাব কমিয়ে যুব সমাজকে সামনে আনার বার্তা দিয়েছেন সুকান্ত। ওয়ার্ডভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রী ও তরুণদের মতামত জানার পরিকল্পনাও রয়েছে বিজেপির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, “কোনও প্রোমোটার বা ডেভলপাররা চালাবে না। যুব সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করব। যুব সমাজ ও ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে ওয়ার্ড ভিত্তিক কথা বলব।”

Submit your biodata to BJP's drop box to become a councilor

আরও পড়ুন : হিমঘরে বিপুল আলু, বাজারে নেই চাহিদা! লোকসানের আশঙ্কায় চাষিরা

এদিকে, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও তৃণমূল ও সিপিএমকে আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ। গত পাঁচ মাসে জনমুখী উদ্যোগের কারণে দুটি উপনির্বাচনে দলের সাফল্য এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার অপেক্ষায় থাকার কথা জানান।সুকান্ত মজুমদারের কথায়, “সিপিএম এই মুহূর্তে অপ্রাসঙ্গিক। তৃণমূলে সবাই প্রাক্তন হয়ে যাচ্ছে। কেউ কাছে থাকতে চাইছে না। এই অবস্থায় আমরা নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। এই ৫ মাসে জনদরদী উদ্যোগ নেওয়ায় দুটো উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হই। আমরা আশা করছি নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেবে। রাজনৈতিক নির্বাচন নয়। শহরের মান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এই নির্বাচন।” সব মিলিয়ে, পুরভোটের আগে প্রার্থী বাছাইয়ে স্বচ্ছতা, স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা এবং নতুন প্রজন্মকে গুরুত্ব দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বিজেপি। এখন দেখার, এই উদ্যোগ নির্বাচনী লড়াইয়ে দলকে কতটা সুবিধা এনে দেয়।