বাংলা হান্ট ডেস্ক : কালীপুজোর রাতে বারাসতের (Barasat) রাস্তায় পা ফেলার জায়গা থাকে না। শহরের বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের জন্য দূরদূরান্ত থেকে মানুষের সমাগম হয়। ফলে উৎসবের মরশুমে রাস্তার বেহাল অবস্থায় ভোগান্তি দূর করতে, এবার শহরের রাস্তা উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বারাসত পুরসভা। ১০ কোটি টাকার প্রকল্পে ইতিমধ্যেই একাধিক রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে।
বারাসাতে (Barasat) রাস্তা উন্নয়নে কোটি টাকার প্রকল্প
শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার অবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ রয়েছে বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে। দৈনন্দিন যাতায়াতের সময় তাঁদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। কালীপুজোর সময়ে জনসমাগম বাড়লে এই অসুবিধা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেই কথা মাথায় রেখেই উৎসবের মরশুমে রাস্তা নির্মাণ ও মেরামতের কাজে গতি আনতে চাইছে পুরসভা।
মঙ্গলবার থেকে শহরের ৬৫টি রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজো শেষ হওয়ার পরে আরও ১০টি রাস্তার কাজ হাতে নেওয়া হবে। অর্থাৎ, পুরো পরিকল্পনা কার্যকর হলে মোট ৭৫টি রাস্তা উন্নয়নের আওতায় আসবে। এই কাজের জন্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর থেকে ১০ কোটি টাকার ওয়ার্ক অর্ডার জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রকল্পের সূচনা করেন বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়। শহরের পরিকাঠামো উন্নয়নে রাস্তার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমার লক্ষ্য রাস্তার পুরোপুরি ভোল পরিবর্তন। মানুষের প্রথম চাহিদা রাস্তা। সেই চাহিদা পূরণ করাই আমার লক্ষ্য।” একই সঙ্গে বারাসতের অন্যান্য নাগরিক সমস্যার দিকেও নজর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। নিকাশি ব্যবস্থার দুর্বলতা, পথবাতির সমস্যা এবং জঞ্জাল জমে থাকা নিয়ে যাতে বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমে, সেই বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে বিধায়ক বলেছেন, “রাস্তার পাশাপাশি নিকাশি, পথবাতি ও জঞ্জাল সমস্যারও দ্রুত সমাধান হবে।”

আরও পড়ুন : পুজোয় যানজট রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা, কলকাতায় বাড়ছে পুলিশি নজরদারি
তবে শুধু কাজের সূচনা করাই শেষ কথা নয়। শহরের কোন কোন এলাকায় কত দ্রুত রাস্তা মেরামত হচ্ছে এবং কাজের গুণমান কেমন থাকছে, তার উপরেই নির্ভর করবে এই প্রকল্পের সুফল। বিশেষ করে কালীপুজোর মতো বড় উৎসবের আগে রাস্তা চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠলে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে প্রতিমা দর্শনে আসা দর্শনার্থীদের সুবিধা হবে।














