বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গোটা দেশ জুড়ে যে জনগণনার (Census 2027) কাজ শুরু হবে সেটা সরকারিভাবে ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি স্কুল শিক্ষকেরা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তবে শুধুই সরকারি নয়, এবার জানা যাচ্ছে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকেরাও (Private School Teachers) এই কাজের জন্য নিয়োগ পেতে পারেন। এই মর্মে গত শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্র। একদিকে যেখানে স্কুল শিক্ষকদের দিয়ে জনগণনার কাজ করানো নিয়ে আদালতে মামলা চলছে সেখানে এই মন একটা বিজ্ঞপ্তি বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনগণনার কাজে নিয়োগ বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের?
আসলে ১৯৯০ সালে যে জনগণনার বিধি ছিল, সেটাই সংশোধন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানে সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের পাশাপাশি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এই কাজে নিয়োগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম লাগু হবে। শুক্রবার ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ পুরোনো বিধি সংশোধন করে নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।
জনগণনার ১৯৯০-এর বিধি
পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষক থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিক বা অন্য কোনো ব্যক্তিকেও নিয়োগ করতেই পারে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল। তবে সেখানে শিক্ষক বলতে সরকারি না বেসরকারি নাকি কোনো ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত স্কুল সামিল থাকবে কি না আলাদা করে বলা ছিল না। এবার সেই নিয়মেই আরও বিস্তৃত বলে সংশোধন করা হলে।
আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের ফেরানো হবে অ্যাডমিশন ফি! এই কলেজগুলোকে বড় নির্দেশ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের
নতুন নিয়মে জানানো হয়েছে, সরকারি ও সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকার স্থানীয় প্রশাসন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি সরকারি কোনো অনুদান না পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও জনগণনার কাজে নিযুক্ত করতে পারে রাজ্য সরকার। তবে যদি ভাবেন মূলত শিক্ষকদেরকেই নিয়োগ করা হবে তাহলে ভুল হবে। কারণ ব্যাঙ্ক, যে কোনো রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থা এমনকি ট্রাস্টের কর্মীদেরও এই কাজের দায়িত্ব প্রদান করতে পারে সরকার।
প্রসঙ্গত, অতীতে এই নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়ে গিয়েছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে। মামলাকারীরা আদালতে জানিয়েছিলেন, ১৯৪৮ সালের জনগণনার বিধিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কীক্ষকদের সুপারভাইজার হিসাবে নিয়োগের ক্ষমতা রাজ্যকে প্রদান করা হয়নি। তাছাড়া ৪এ ধারা অনুযায়ী, প্রশাসনিক কর্মী ও আধিকারিকদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল সেখানে বেসরকারি শিক্ষক বা শিক্ষা-কর্মীরা নিয়োগ হতে পারেন না।














