বাংলা হান্ট ডেস্ক: কর্মক্ষেত্র থেকে স্কুল সব ক্ষেত্রেই ভরসা রেলপথ (Indian Railways)। কিন্তু মাঝেমধ্যেই ট্রেন লেট হওয়ার ফলে গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হয় যাত্রীদের। এই রেলপথের যাত্রা সমস্যা ও অভিযোগের কথা জানাতে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম রেলস্টেশনে বৃহস্পতিবার আয়োজিত হয় জনসংবাদ কর্মসূচি। যেখানে রেল যাত্রীরা তারা তাদের সমস্যার কথা রেলের কাছে নথিভূক্ত করেন।
রেল পরিষেবা বাড়ানোর দাবিতে সরব যাত্রীরা (Indian Railways)
ঝাড়গ্রাম রেলস্টেশনে দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ, লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো, ঝাড়গ্রাম হাওড়া লোকাল ট্রেন চালু করা, সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেন চালানোর দাবি জানানো হয় ঝাড়গ্রাম বাসীর পক্ষ থেকে (Indian Railways)। এছাড়াও জঙ্গলমহল স্বরাজ মোর্চার তরফ থেকে একই দাবিতে জনসংবাদের হাজির হয়ে থাকা রেলের ঊর্ধকর্তাদের কাছে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: এবার রেল স্টেশনেই ওষুধের দোকান, বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের
এই বিষয়ে মোর্চার কেন্দ্রীয় সভাপতি অশোক মাহাতো বলেন, খড়গপুর ডিভিশনের খড়গপুর টাটানগর শাখায় প্রতিনিয়ত ট্রেন দেরিতে চলাচল করছে। ট্রেনের উপর ভরসা করে কর্মস্থানে পৌঁছতে যার ফলে দেরি হয়ে যাচ্ছে মানুষদের। যার ফলে প্রতিদিনই হয়রানি শিকার হচ্ছেন নিত্যযাত্রীরা।
সংগঠনের ঝাড়গ্রাম শাখার সম্পাদক সৌগত মাহাতো বলেন, ‘ঝাড়গ্রাম একটি জেলা শহর। পর্যটনের ক্ষেত্রেও গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিদিন বহু মানুষ ট্রেনের উপরে ভরসা করে যাতায়াত করেন। ঝাড়গ্রাম থেকে হাওড়া যাওয়ার লোকাল ট্রেন নেই। খড়্গপুর থেকে ট্রেন বদলে যেতে হয়।
করোনা পরিস্থিতির পরে ট্রেনের সংখ্যাও কমেছে। দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেন দেরিতে চলাচল করায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের। সমস্যাগুলির সমাধানে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধি এবং আধিকারিকদের কাছে ইমেল মারফত দাবি জানানো হয়েছে (Indian Railways)।














