বাংলাহান্ট ডেস্ক : পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে আবারও পাশ ফেল ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ। রাজ্যের স্কুল পাঠক্রমে (Education) পাশ ফেল নীতিতে ফের বড় বদল আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন একটি শিক্ষক সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এবার রাজ্যের নতুন স্কুল সিলেবাস ও কারিকুলাম এক্সপার্ট কমিটিও পাশ ফেল ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে। চেয়ারম্যানও এর পক্ষেই বলে জানা গিয়েছে।
পাশ ফেলের (Education) আইন সংশোধন করা হয়েছিল
সেই ২০১৮ সালে পার্লামেন্টে বিল পাশ করে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পাশ ফেল ফেরাতে আইন সংশোধন করে কেন্দ্রীয় সরকার। ‘শিক্ষার অধিকার আইন’ সংশোধন করে সেখানে বলা হয়, এই দুই ক্লাসে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেখানে যে পড়ুয়ারা অকৃতকার্য হবে তাদের দুমাসের মধ্যে আবারও পরীক্ষা নেওয়া হবে। ওই পরীক্ষাতেও কেউ অকৃতকার্য থেকে গেলে তাকে ওই ক্লাসেই রেখে দেওয়া হবে।

কী বলা হয়েছিল আইনে: এও বলা হয়, দুমাস অকৃতকার্য পড়ুয়াদের বাধ্যতামূলক ভাবে বিশেষ রেমেডিয়াল ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে। নয়তো নতুন পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। তবে এই ব্যবস্থার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার রাজ্যগুলির উপরেই ছেড়ে দেওয়া হয়। সে সময় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টিকে স্বাগত জানালেও সর্বোচ্চ স্তর থেকে কোনও সাড়া মেলেনি।
আরও পড়ুন : একেবারে রেস্তোরাঁর মতোই আসবে স্বাদ, বাড়িতে এভাবে বানান চিকেন দোপেঁয়াজা
কী বললেন চেয়ারম্যান: চেয়ারম্যান দেবাশিসবাবু বলেন, স্কুল শিক্ষার (Education) যা অবস্থা তাতে পাশ ফেল না ফেরালে ভবিষ্যতে বড় সমস্যা হবে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন মহল থেকে প্রস্তাব আসলে তা বিবেচনা করে শিক্ষা দপ্তরের কাছে সুপারিশ করা হবে। আইন আগে থেকেই যেহেতু সংশোধন করা রয়েছে তাই এটা ফেরাতে কোনও জটিলতা থাকার কথা নয়।
আরও পড়ুন : দিঘা-পুরী যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বাতিল করুন, ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, কবে কোথায় বৃষ্টি?
২০০৯ সালে শিক্ষার অধিকার আইনে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাশ ফেল তুলে দেওয়া হয়েছিল। এদিকে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া হয়েও পঞ্চম শ্রেণির বই রিডিং পড়তে পারছে না। সাধারণ অঙ্কও কষতে পারছে না। ২৪ জানুয়ারি বেঙ্গালুরুতে পিপলস পার্লামেন্টে পিপলস এডুকেশন পলিসিতে পাশ ফেল ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে বলে খবর।














