জনগণনার কারণে পিছোচ্ছে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক! মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রস্তাবিত রুটিন দেখুন

Published on:

Published on:

West Bengal Madhyamik Exam 2027 to postpone due to Census work

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জনগণনার জেরে পিছিয়ে যাচ্ছে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Exam 2027)। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জনগণনার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হতে পারে। চলতে পারে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ অবধি। সেই কারণে পরীক্ষার রুটিন বদলের একাধিক প্রস্তাব এসেছিল। এবার তাতেই মান্যতা দিল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)। ইতিমধ্যেই স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে প্রস্তাবিত নির্ঘণ্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিকের প্রস্তাবিত রুটিন | (Madhyamik Exam 2027)

পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সেই সময় জনগণনার কাজ চলার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা যুক্ত থাকবেন। ফলে পুরনো সূচি অনুযায়ী মাধ্যমিক হলে শিক্ষক সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই পর্ষদের তরফে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

Madhyamik exam 2027

সূত্রের খবর, পর্ষদের প্রস্তাবিত নতুন সূচি অনুসারে ২ মার্চ থেকে মাধ্যমিক শুরুর কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ২ মার্চ- প্রথম ভাষা, ৩ মার্চ- দ্বিতীয় ভাষা, ৫ মার্চ- ইতিহাস, ৮ মার্চ- ভূগোল, ১২ মার্চ- গণিত, ১৩ মার্চ- ভৌতবিজ্ঞান, ১৫ মার্চ- জীবনবিজ্ঞান, ১৬ মার্চ- ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘সব শেষ করে দিচ্ছে..,’ গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া DA ইস্যুতে পোস্ট ভাস্কর ঘোষের

পর্ষদ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই পর্ষদ সভাপতি ড. রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় স্কুল শিক্ষা দফতরে এই নির্ঘণ্ট পাঠিয়েছেন। তবে এখনও এটি চূড়ান্ত হয়নি। দফতরের অনুমোদন সাপেক্ষে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জনগণনার কারণে মাধ্যমিকের মতো ২০২৭ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পিছনোর কথা চিন্তাভাবনা করছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সংসদ সভাপতি অসিত কুমার মণ্ডল জানান, মাধ্যমিকের প্রস্তাবিত সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী ১৬ মার্চের পর থেকে পরীক্ষা শুরুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই অনুসারে নির্ঘণ্ট তৈরির কাজ চলছে।

অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পিছনোর প্রস্তাব নিয়ে শিক্ষকমহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। শিক্ষকদের একাংশের দাবি, অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা জনগণনার কাজে যুক্ত থাকলে পরীক্ষা আয়োজনে সমস্যা হতে পারে। ফলে পরীক্ষা পিছনো বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত। তবে আরেকাংশের দাবি, যেসব শিক্ষক-শিক্ষিকা জনগণনার কাজে যুক্ত থাকবেন না তাঁদের দিয়ে পরীক্ষার দায়িত্ব সামলানো যেত।