বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মঙ্গলে সকল সরকারি কর্মচারীর নজর ছিল সুপ্রিম কোর্টের দিকে। সর্বোচ্চ আদালতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত (Dearness Allowance) মামলার শুনানি ছিল গতকাল। আদালত তরফে জানানো হয়েছে, উচ্চ পর্যায়ের কমিটির পরবর্তী বৈঠকের দিকে নজর রাখবে সুপ্রিম কোর্ট। ২৯ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।
কী জানালেন আইনজীবী? Dearness Allowance
এদিনের শুনানি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ। মূল মামলাকারী সংগঠনের পক্ষ থেকে এদিন ডিএ মামলার শুনানিতে ঠিক কী হল, তা জানিয়েছেন তাদের পক্ষের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম (Advocate Firdous Samim)। শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালতে সংগঠনের তরফে সিনিয়র আইনজীবী সহ ফিরদৌস শামীম, গোপা বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন এবং মাননীয় বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য ভার্চুয়াল শুনানিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

শুনানির পর ভিডিওবার্তায় ফিরদৌস শামিম বলেন, “আজকে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ-র করা ডিএ মামলাটির শুনানি ছিল। আজকে মহামান্য বিচারপতিদ্বয় সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি শুনেছেন এবং নির্দিষ্টভাবে জিজ্ঞাসা করেছেন রাজ্যকে যে আপনারা কেন এখনও পর্যন্ত টাকা মেটাননি। নির্দিষ্টভাবে সাবমিশন করেছে এখনও পর্যন্ত গ্রান্ট ইন এইড-রা এখনও সিঙ্গেল পেনি পায়নি।”
আরও পড়ুন: সড়কপথের ঝক্কি শেষ! এবার রোপওয়েতে চেপেই কার্শিয়াং থেকে সরাসরি দার্জিলিং যাওয়ার সুযোগ
তিনি বলেন, “৪২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে মাত্র ৮ হাজার কোটি টাকা পেমেন্ট করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বাকি অংশের কর্মচারীরা, বিশেষ করে প্রাইমারি স্কুলের টিচার, সেকেন্ডারি স্কুলের টিচার, হাই সেকেন্ডারি স্কুলের টিচার তারা কেও একটি টাকাও পায়নি। এবং মালহোত্রা কমিটি এখনও আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেনি।”
“আগামী ১৪ ডিসেম্বর ফিজিক্যালি তারা মিট করবে সেটা জানিয়েছিল থার্ড স্টেটাস রিপোর্ট- এ। এবং থার্ড স্টেটাস রিপোর্ট থেকে এটা পরিষ্কার হয়েছে যে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় বসবাসকারী বেশ কিছু পেনশনার রয়েছে যারা এখনও পর্যন্ত একটা টাকাও পায়নি। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে মাননীয় বিচারপতিদ্বয় মালহোত্রা কমিটির স্টেটাস রিপোর্ট গ্রহণ করেছেন। ডিসেম্বরে বৈঠকের পরবর্তীতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে মামলাটি আবার শুনানির জন্য আসবে।” জানিয়েছেন আইনজীবী।
তিনি আরও বলেন, “এদিন রাজ্যকে নির্দিষ্টভাবে জিজ্ঞাসা করেছেন যে যেটা আইডেন্টিফাই করা হয়েছে সেটার পেমেন্ট হয়নি কেন। কিন্তু মামলাটি শুনানির জন্য রেখেছে জানুয়ারি মাসে কমিটির বৈঠকের পর।” সকলের নজর এখন মনিটরিং কমিটির বৈঠকের দিকে।












