বাংলাহান্ট ডেস্ক : দেশজুড়ে চলছে উৎসবের মরশুম। আসন্ন কালীপুজো বা তথা দীপাবলি, ভাইফোঁটা উপলক্ষে সাজোসাজো রব সর্বত্র। এর মাঝেই মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে বড় ঘোষণা করল নামী ডেয়ারি সংস্থা আমুল (Amul)। এক ধাক্কায় ঘি ও মাখনের দাম অনেকটাই বাড়িয়ে দিল সংস্থা। উৎসবের মধ্যে এহেন দাম বৃদ্ধিতে চিন্তায় সাধারণ মানুষ।
আচমকাই ঘি মাখনের দাম বাড়াল আমুল (Amul)
ঘি ও মাখনের দাম হঠাৎ করেই অনেকটা বাড়িয়ে দিল আমুল। আমুলের ১ কেজি ঘিয়ের কার্টনের দাম এক ধাক্কায় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ৫০ টাকা। ৫০০ গ্রাম মাখনের প্যাকেটের দামও বেড়ে গিয়েছে। ১ কেজি কার্টনের ঘিয়ের দাম আগে ছিল ৬৩০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৬৮০ টাকা।

কত হয়েছে নতুন দাম: ঘিয়ের ৫০০ গ্রামের পাউচের দাম আগে ছিল ৩২৫ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৪৫ টাকা। ১০০ গ্রাম মাখনের প্যাকেট আগে ছিল ৬৩ টাকা। এখন তা হয়েছে ৬৬ টাকা। ৫০০ গ্রাম মাখনের প্যাকেটের দাম আগে ছিল ৩১০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩২৫ টাকা।
আরও পড়ুন : কালীপুজোর মণ্ডপে বিশেষ ‘স্প্রে’, চোরবাগানের পর বাড়তি সতর্কতা পুলিশ-দমকলের
কেন এই মূল্যবৃদ্ধি: ১ কেজি ঘিয়ের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। অন্যদিকে ৫০০ গ্রাম ঘিয়ের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ১০০ গ্রাম মাখনের দাম ৩ টাকা বেড়েছে। অন্যদিকে ৫০০ গ্রামের মাখনের (Amul) দাম বেড়েছে ১৫ টাকা। কিন্তু কেন এই দাম বৃদ্ধি? রিপোর্ট অনুযায়ী, ভেজাল দুগ্ধজাত পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে প্রশাসনের। তারপর থেকে অনেক ক্রেতাই পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের ঘি, মাখন কেনার দিকে ঝুঁকছেন।
আরও পড়ুন : টাকা দিয়ে কাটতে হবে না কুপন, তারাপীঠে বিনা পয়সায় দেওয়া হয় সুস্বাদু ভোগ প্রসাদ, কোথায় জানেন?
বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ছ মাসে গুজরাট ও রাজস্থান মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ কেজি সন্দেহজনক নকল ঘি বাজেয়াপ্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলেই ব্র্যান্ডেড ঘিয়ের চাহিদা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আরও জানা যাচ্ছে, আহমেদাবাদ ও ভাদোদরার বিভিন্ন দোকানে আমুলের কিছু পণ্যের সরবরাহ কমে গিয়েছে বলে খবর। উৎসবের মরশুমে বাড়িতে মিষ্টি তৈরি, উৎসবের প্রস্তুতির জন্য ঘি, মাখনের চাহিদা বাড়ে। এদিকে এই সময়ই সামনে এল ঘাটতির খবর। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পকেটেও চাপ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।












