টাকা দিয়ে কাটতে হবে না কুপন, তারাপীঠে বিনা পয়সায় দেওয়া হয় সুস্বাদু ভোগ প্রসাদ, কোথায় জানেন?

Published on:

Published on:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : সামনেই কালীপুজো। এই বাংলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু শক্তিপীঠ, যাদের মধ্যে অন্যতম তারাপীঠ (Tarapith)। মা কালীর উগ্র রূপ তারা মায়ের রূপ এখানে দয়াময়ী। মায়ের মুখের হাসি দেখলে মন জুড়ায়, মনে আসে ভক্তি মিশ্রিত শান্তি। তারা মায়ের টানে প্রতিদিন রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত, দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন বীরভূমের এই সিদ্ধপীঠে। তবে তারা মায়ের মন্দিরে মানবসেবারও এক বিশেষ আয়োজন রয়েছে যা অনেকেই জানেন না।

তারাপীঠে (Tarapith) বিনামূল্যে মায়ের অমৃত সমান ভোগ প্রসাদ

প্রায় প্রতিটি মন্দিরেই দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে ভোগ প্রসাদ খাওয়ার ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট কুপন কেটে খেতে হয় প্রসাদ। তারাপীঠের মন্দিরে প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত সমাগম হয়। কিন্তু এখানে প্রসাদ পাওয়ার জন্য কত টাকার কুপন কাটতে হয়? অনেকেই কিন্তু জানেন না, তারাপীঠে মায়ের দুপুরের ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করার জন্য এক পয়সাও দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। মায়ের দুপুরের প্রসাদ প্রতিটি ভক্তকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

Free prasad is given in tarapith temple

কখন মেলে প্রসাদ: মা তারার আশ্রয়ে জাতপাত, ধনী দরিদ্রের কোনও ভেদাভেদ নেই। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, তারাপীঠ মন্দিরে যেমন বিনামূল্যে ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা থাকে, তেমনই সকাল ৯ টার মধ্যে মন্দিরে এসে ভোগ খাওয়ার জন্য নাম লেখালে মাত্র ৭০-৮০ টাকায় পাওয়া যায় ভোগ প্রসাদ।

আরও পড়ুন : শচীনের রেকর্ড ভাঙার দিনে কোহলির প্রশংসায় মাতলেন গিল! জানালেন বড় সত্যি

কোথায় দেওয়া হয় প্রসাদ: তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির চত্বর বা তার সংলগ্ন নির্দিষ্ট ভোগ বিতরণ কেন্দ্রে প্রতিদিন দুপুরে বহু মানুষের জন্য এই ভোগ প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এর অর্থ আসে কীভাবে? মন্দির কমিটির সম্পাদক বলেন, তারাপীঠে আগত বহু ভক্ত মা তারার মন্দিরে ভান্ডারা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করে থাকেন। সেখানে অনেক ভক্ত বিনামূল্যে ভোগ গ্রহণ করতে পারেন।

আরও পড়ুন : কালীপুজোর মণ্ডপে বিশেষ ‘স্প্রে’, চোরবাগানের পর বাড়তি সতর্কতা পুলিশ-দমকলের

মা তারার সুস্বাদু ভোগ প্রসাদে দেওয়া হয় পোলাও, গরম ভাত, ডাল, ভাজা, মিক্সড ভেজ বা তরকারি, মাছ, চাটনি, পাঁপড়, মিষ্টি, পায়েস। তীর্থক্ষেত্রে গেলেই যে টাকা দিয়ে প্রসাদ খেতে হবে এমন কোনও মানে নেই। তারাপীঠের এই মানবসেবার আয়োজন আরও বেশি করে নস্যাৎ করে দেয় এই ধারণা।