বাংলা হান্ট ডেস্ক : সম্প্রতি রেজিনগর উপনির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের কাছে হেরেছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। রেজিগর থেকে আম জনতা পার্টির হয়ে দাঁড়িয়েছিল হুমায়ুন কবীরের ছেলে। উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের দিন চোখে জল ছিল হুমায়ুনের। দল ত্যাগ করে, প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে চলে যাবেন তিনি। কিন্তু বর্তমান সময়ে আবার তিনি চর্চায় উঠে এসেছেন। বাবরি মসজিদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করছেন। এবার এই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ (Keya Ghosh)।
হুমায়ুনকে নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ (Keya Ghosh)
হুমায়ুন প্রসঙ্গে বাংলা হান্টকে কেয়া ঘোষ বলেন,”হুমায়ুন খুব মজার মানুষ। উনি খবরের শিরোনামে থাকতে ভালোবাসেন। মিডিয়া খুব ভুল কাজ করছে পিসি-ভাইপোকে নিয়ে রয়েছে, একবারও তাকে দেখাননি। সেই কবে তিনি ভোটে হেরে কান্নাকাটি করলেন। বললেন দুবাই চলে যাবেন আর আপনারাও খোঁজ নিলেন না।”

বর্তমানে হুমায়ুনের বাবরি মসজিদের হুজুগ তোলা প্রসঙ্গে, কেয়া ঘোষের স্পষ্ট জবাব। তিনি বলেন, “আমি হুমায়ুনকে প্রশ্ন করেছিলাম আপনি বলছেন গণতন্ত্রের কথা কোন গণতন্ত্রের কথা বলছেন? আপনি বলেছিলেন ২৫ শতাংশ হিন্দুকে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেবেন? সেটা কোন গণতন্ত্র ছিল? কোন সংবিধান ছিল? রাজ্যের মধ্যে আপনি হিন্দু মুসলিম বিভেদ করছেন। বাবরি সংস্কৃতি ফেরত আনতে চাইছেন। রেজিনগরে তো হারতে হল।”
আরও পড়ুন : কালীপুজোর আগেই বড় সুখবর! SSC-র ইন্টারভিউ তালিকায় নাম উঠল ৩৮ হাজারের, কীভাবে দেখবেন?
এদিন হুমায়ুনকে বিজেপি নেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “দুবাই যান, বাবাই যান, যেখানে ইচ্ছা যান, বাবরি ইস্যু আর তুলবেন না রেজিনগর আপনাদের নয় রেজিনগর এখন গেরুয়া হয়েছে। আপনি অন্য মসজিদ করুন, বাবরির নাম তুলবেন না। রাজ্য সনাতনীরা আপনাদের রিজেক্ট করেছে।” হুমায়ুনকে সতর্ক করে বিজেপি নেত্রী বলেছেন, “আপনি ধর্মের নামে বিভাজন ধর্মের নামে সুড়সুড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছেন।” হুমায়ুন কবিরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “এসব করে লাভ নেই রাজ্যের মুসলমানরা বুঝতে পেরেছে তাদের ব্যাঙ্ক একাউন্টে কেন্দ্রীয় রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির সুবিধা পাচ্ছে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করেছিলেন এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ বলেন, “ধুর ওইগুলো সব আইওয়াশ। ওগুলো সব সেটিং। ” তিনি উল্লেখ করেন, “হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, আমি যখন বেশি ভোটে জিতব অনেকগুলো আসন পাব মমতা ব্যানার্জি লাল কার্পেট দিয়ে নিজে আমাকে নিজের দলে ডেকে নেবেন। উনি কখনও বলেননি আমি আলাদা দল। ইস্যু এক, মুসলমানদের মিথ্যে তোষণ করা। মমতা ব্যানার্জি যদি বড় মিথ্যাশ্রী হন, হুমায়ুন কবীরকে ছোট মিথ্যাশ্রী দেওয়া দরকার। কারণ ইসু এক, মিথ্যা এক,গল্পও এক।”












