বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কালীপুজোয় (Kali Puja 2026) বিপুল অলঙ্কারে সেজে উঠল নৈহাটির বড়মা (Naihati Boro Maa)। গায়ে প্রায় ১১০ কেজি তথা ১ কুইন্টাল ১০ কেজি সোনা ও রুপোর গয়না, কপালে জ্বলজ্বল করছে হিরের টিপ। রবিবার সকাল থেকেই মাকে একঝলক দেখার জন্য নৈহাটির অরবিন্দ রোডে ভিড় করছেন ভক্তরা।
নৈহাটির বড়মার কাছে উপচে পড়া ভিড় | (Naihati Boro Maa)
প্রত্যেক বছর কালীপুজোয় নৈহাটির বড়মার কাছে ছুটে যান ভক্তরা। মায়ের জন্য সোনা ও রুপোর নানা অলঙ্কার দান করেন অনেকে। এই বছর বড়মাকে রুপোর চাঁদমালা সহ সোনা ও রুপোর নানা গয়নায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। তবে আলাদা করে নজর কাড়ছে কপালের হিরের টিপ।

নৈহাটির বড়মা পুজো কমিটির মুখপাত্র অনন্ত চট্টোপাধ্যায় জানান, এই বছর সোনা ও রুপো মিলিয়ে বড়মাকে প্রায় ১ কুইন্টাল ১০ কেজি গয়না দিয়ে সাজানো হয়েছে। তবে এর মধ্যে কতটা সোনা আছে ও কতটা রুপো তা খোলসা করতে চাননি তিনি।
আরও পড়ুনঃ বেতনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে পেনশন! অষ্টম বেতন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ হিসেব রইল
অনন্ত বলেন, “প্রত্যেক বছর ভক্তের সংখ্যার পাশাপাশি মায়ের কাছে সোনা ও রুপো দানের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বড়মার সোনার চোখ নিয়েও বিশেষ নিয়ম রয়েছে।“
বড়মা পুজো কমিটির মুখপাত্র জানান, কালীপুজো শেষে বিসর্জনের সময় কখনও বড়মার চোখ খোলা হয় না। প্রতিমার সঙ্গেই তা বিসর্জন দিয়ে দেওয়া হয়। এই বছরও অন্যথা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
বড়মার গায়ে থাকা বিপুল পরিমাণ সোনা ও রুপোর গয়নার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুরক্ষায় বিশেষ জোর দিয়েছে পুজো কমিটি। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপত্তারক্ষী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্দির চত্বরে শতাধিক সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কমিটি।
১০৩ বছর প্রাচীন নৈহাটির বড়মার পুজোয় বরাবরই ভিড় হত। আগে মূলত স্থানীয়রা ভিড় করতেন। তবে গত কয়েক বছরে দূরদূরান্ত থেকেও অনেক ভক্ত ছুটে এসেছেন। এই বছরও কালীপুজোর সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। সাধারণত বিসর্জনের দিন অবধি এই ধারা বজায় থাকে।












