ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন যাত্রীবাহী বিমান! রাজনৈতিক নেতা সহ মৃত্যু ১৫ জনের

Published on:

Published on:

A horrific Plane Crash took 15 lives including political leaders.
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: কলম্বিয়ায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় (Plane Crash) প্রাণ হারালেন বিমানে থাকা সকলেই। ১৫ জন যাত্রী নিয়ে ভেঙে পড়ে একটি ছোট যাত্রীবাহী বিমান। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুই জন ক্রু সদস্য এবং ১৩ জন যাত্রী। যাত্রীদের মধ্যে এক জন ছিলেন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি, পাশাপাশি আরও এক জন রাজনীতিবিদও ছিলেন, যিনি আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বুধবার স্থানীয় সময় দুপুরে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনার (Plane Crash) সম্মুখীন যাত্রীবাহী বিমান!

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি সীমান্তবর্তী শহর কুকুটা থেকে ভেনেজ়ুয়েলার সীমান্ত লাগোয়া ওকানা শহরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। অবতরণের কিছুক্ষণ আগে আচমকাই কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিমানের। এরপরই সীমান্তের কাছে পাহাড়ি অঞ্চলে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বড় মোড়! আদালতের নির্দেশে এবার নতুন তালিকা সামনে আনল SSC, কাদের নাম?

কলম্বিয়ার অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভেনেজ়ুয়েলার সঙ্গে কলম্বিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকাতেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া বিবৃতিতে এক আধিকারিক জানান, বিমানে থাকা সমস্ত যাত্রী এবং ক্রু সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চেম্বার অফ ডেপুটিজের সদস্য ডায়োজিনেস কুইন্টেরো এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থী কার্লোস সালসেডো। তাঁদের সঙ্গে দলের আরও কয়েক জন সদস্যও ওই বিমানে ছিলেন।

উল্লেখ্য, কুকুটা অঞ্চলটি অত্যন্ত দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানকার আবহাওয়া দ্রুত বদলে যায়, যা প্রায়ই বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি করে। পাশাপাশি এই অঞ্চলের কিছু অংশ কলম্বিয়ার বৃহত্তম গেরিলা সংগঠন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, ফলে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চালানোও সহজ নয় বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

A horrific Plane Crash took 15 lives including political leaders.

আরও পড়ুন: ক্রিকেট নিয়ে নাটক শেষ! এবার এই চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ভারতে টিম পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল একটি বিচক্রাফ্ট ১৯০০ টুইন-প্রপেলার উড়ানযান। বিমান সংস্থার তরফে সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ফ্লাইটটি একটি ‘মারাত্মক দুর্ঘটনার’ শিকার হয়েছে এবং পাহাড়ি এলাকায় বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধারের জন্য কলম্বিয়ার বিমান বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য উইলমার ক্যারিলো জানান, এই দুর্ঘটনায় তিনি গভীরভাবে শোকাহত এবং উদ্বিগ্ন, কারণ তাঁর একাধিক সহকর্মী ওই বিমানে যাত্রা করছিলেন।