রমজানে পাকিস্তানি জঙ্গিদের নয়া পরিকল্পনা! হাফিজ সইদের সংগঠন এবার যা করছে…

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: চলতি রমজান মাসেও পাকিস্তানে (Pakistan) সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ। আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন  লস্কর-ই-তৈবার নেতা হাফিজ সইদ এই সময়েই নতুন একটি অভিযানের ঘোষণা করেছেন। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে “মুকাবলা-ই-ওয়াফা”। বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই অভিযানের মূল লক্ষ্যই হল জিহাদের নামে অর্থ সংগ্রহ করা এবং সংগঠনের নেটওয়ার্ককে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করা।

রমজানে পাকিস্তানের (Pakistan) জঙ্গিদের নয়া পরিকল্পনা!

জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, গত বছরের ৭ মে নিহত সন্ত্রাসীদের স্মরণে এই তহবিল সংগ্রহ অভিযান শুরু করা হয়েছে। সেই ঘটনাকে সামনে রেখে মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনের সমর্থকদের কাছে পাঠানো বার্তায় জিহাদে সমর্থন এবং আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগ, ধর্মীয় আবহ এবং রমজানের দানের প্রথাকে ব্যবহার করেই এই তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:বাংলাদেশের জ্বালানি সঙ্কট মেটাচ্ছে ভারত! পাঠানো হবে ৪৫,০০০ টন ডিজেল

রমজান মাস মুসলিমদের কাছে আত্মসংযম, প্রার্থনা ও দানের মাস হিসেবে পরিচিত। এই সময় অনেকেই যাকাত ও দান করে থাকেন। কিন্তু জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই ধর্মীয় আবেগকেই কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। একটি চিঠিতে সংগঠনের তরফে সমর্থকদের উদ্দেশে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ‘আল্লাহর পথে সংগ্রাম’-এর নামে অর্থ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিরুদ্ধে হওয়া হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জম্মু ও কাশ্মীরের  পেহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতীয় সেনাবাহিনী শুরু করে  অপারেশন সিঁদুর অভিযান। এই অভিযানে সীমান্তের ওপারে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অভিযানে প্রায় একশো জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং তারা ভারতে হামলার পরিকল্পনা করছিল।

A New Plan by Militants of Pakistan During Ramzan!

আরও পড়ুন: অ্যালোভেরা থেকে তৈরি ব্যাটারি! এই ২ ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার যা করলেন…পেলেন ৩.৫ কোটির ফান্ডিং

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযানের ফলে জঙ্গি সংগঠনগুলির বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তাদের একাধিক প্রশিক্ষণ শিবির ধ্বংস হয়েছে এবং অস্ত্রভাণ্ডারেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সংগঠনগুলির নতুন করে সংগঠিত হওয়ার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, রমজান মাসে শুরু হওয়া এই তহবিল সংগ্রহ অভিযান মূলত সেই ক্ষতি পূরণ এবং ভবিষ্যতের কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়ার জন্যই শুরু করা হয়েছে।