বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সামনে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ভবানীপুর কেন্দ্র ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দলের নেতাকর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি বলেন, শুধু জয় নয়, বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।
ভবানীপুরে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)
ছাব্বিশের নির্বাচনে ভবানীপুরকে ঘিরে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত স্পষ্ট। দলের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) জানিয়ে দেন, এই কেন্দ্রে শুধু জিতলেই হবে না, জয়ের ব্যবধান কমপক্ষে ৬০ হাজার ভোটে পৌঁছাতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই, প্রত্যেককে নিজের এলাকায় অন্তত ৫টি করে ভোট বাড়াতে হবে।
পুরনো ফলাফল ছাপিয়ে যাওয়ার বার্তা
অভিষেক (Abhishek Banerjee) আরও জানান, আগের নির্বাচনে ভবানীপুরের ২৩১টি বুথে তৃণমূল এগিয়ে ছিল। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে আরও ভালো ফল করতে হবে। লক্ষ্য একটাই কলকাতার মধ্যে ভবানীপুরকে প্রথম স্থানে নিয়ে আসা।
উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রে এবারের লড়াই আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নাম রয়েছে শুভেন্দু অধিকারী-র। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা ও শুভেন্দুর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল, যেখানে অল্প ব্যবধানে জয়ী হন শুভেন্দু। ফলে ভবানীপুরে এই লড়াই নতুন মাত্রা পেতে চলেছে।
২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকেই উপনির্বাচনে জয় পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হারার পর ভবানীপুরে উপনির্বাচনে লড়ে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে জয়ী হন তিনি। সেই জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ানোর লক্ষ্যই এবার সামনে রেখেছে দল। ভোটের আগে নিজের কেন্দ্রেই কর্মিসভা করেন মমতা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত বক্সীর মতো নেতারা। ভবানীপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং তৃণমূল কর্মীরাও বৈঠকে যোগ দেন।

আরও পড়ুনঃ এবার ভোটে পুলিশের উপর বাড়তি দায়িত্ব! পর্যবেক্ষকদের কী কী করতে হবে জানাল কমিশন
দলের নেতাকর্মীদের অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, ‘দিদির দশ প্রতিজ্ঞা’ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প চালু থাকবে বলেও প্রচারে জোর দিতে বলেন। কেন্দ্রের সরকারের সমালোচনা করে তিনি জানান, তৃণমূল সরকার মানুষের পাশে রয়েছে এবং নিজেদের কাজের রিপোর্ট কার্ড নিয়েই ভোটের ময়দানে নামবে দল।












