বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়া নিয়ে চলা মামলার শুনানি ফের পিছিয়ে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। তবে আদালত পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তাঁকে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। শুনানিতে রাজ্যের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে না। সেই কারণেই আদালতও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
অভিষেকের (Abhishek Banerjee) ভয়েস স্যাম্পেল নিয়ে আদালতের কড়া মন্তব্য
সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) তো ইতিমধ্যেই আদালতের রক্ষাকবচ পেয়েছেন। তাহলে তদন্তে সহযোগিতা করতে সমস্যা কোথায়? তাঁর বক্তব্য, তদন্তকারীরা যদি কণ্ঠস্বরের নমুনা চান, তাহলে তা দেওয়া উচিত।
রাজ্যের আইনজীবীও আদালতে বলেন, রক্ষাকবচ পাওয়া মানে এই নয় যে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে না। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকার পরেও এই বিষয়টি নিয়ে মামলা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, যে অডিয়োকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি সত্যিই অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কণ্ঠস্বর কি না তা জানতেই ভয়েস স্যাম্পেল প্রয়োজন।
গোটা বিতর্কের শুরু একটি রাজনৈতিক সভার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ডিজে বাজানো নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন। সেই মন্তব্যের পরই আদালতে মামলা দায়ের হয়। মামলার তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চান। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। এরপর বিষয়টি একাধিক বিচারপতির এজলাসে শুনানির জন্য ওঠে।
বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ আগেই বলেছিলেন, তদন্তকারীরা যদি মনে করেন তদন্তের জন্য ভয়েস স্যাম্পেল দরকার, তাহলে আদালত সেই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তদন্ত চলাকালীন তদন্তকারীদের কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম হয়েও দুর্গাপুজো করতেন বাড়িতে, NIA-র হাতে গ্রেফতার হওয়া সাকির আলি আসলে কে?
পরে মামলাটি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে আসে। সেখানেও স্পষ্ট জানানো হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ভয়েস স্যাম্পেল দিতেই হবে। তবে আদালতে জানানো হয়েছে, এখনও সেই নমুনা দেওয়া হয়নি। আগামী ৮ জুলাই কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার কথা রয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী শুক্রবার।













