শুধুই নয় সরকার পতন, ভোটে বিশ্ব রেকর্ড করল পশ্চিমবঙ্গ, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

Published on:

Published on:

According to National Election Commission West Bengal Become First in the World in Voter Turnout Rate
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে গোটা বিশ্বেই আলোচনা চলতেই থাকে। আর এবার জানা যাচ্ছে গোটা বিশ্বের নিরিখে ভোটদানের হারে রেকর্ড করেছেন পশ্চিমবঙ্গ। সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (National Election Commission) তরফ থেকে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে জানা যাচ্ছে ভোটদানের হারের কারণেই বিশ্ব সেরা হয়েছে বাংলা।

গোটা বিশ্বে ভোটদানের হারের তালিকায় প্রথম স্থানে পশ্চিমবঙ্গ

সম্প্রতিকালে যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে, তাতেই রয়েছে পরিসংখ্যান। ২০২৬ সালে ভোট পড়েছে মোট ভোটারের ৯৩.৭%। গোটা বিশ্বের ১০০ গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে এই হার সর্বোচ্চ বলেই জানা যাচ্ছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, সেখানে নির্বাচনে ৯২.৮৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। এছাড়া তৃতীয় স্থানে রয়েছে পুদুচেরি, ৯১.১৯%।

আসলে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন বেশ কিছু কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রথমত SIR এর কাজ শুরু হয়ে যাওয়াতে বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছিল। ফলে যাদের নাম প্রথমবার লিস্টে এসেছে তাদের প্রায় সকলেই নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ২৯৪টি আসনের ২৯২টি আসনে প্রথমে ভোট হয়েছিল। পরবর্তীতে বাকি দুই আসনে ভোট হয়।

আরও পড়ুনঃ শ্রাবণের প্রথম সোমবার তারকেশ্বরে পুষ্পবৃষ্টি, কোথা থেকে আসবে ফুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অন্যদিকে বিগত সরকারের আমলে হওয়া একের পর এক দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই সেগুলিকে হাতিয়ার করে জোরদার প্রচার করেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। ফলস্বরূপ বাংলার মানুষের অধিকাংশই পরিবর্তন চেয়েছিলেন (ভোটের ফলাফলের হিসাবে)। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটাও আরেকটা কারণ ভোট দানের হার বৃদ্ধির। তাছাড়া বিপুল পরিমাণে ভোটদান গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা থাকার প্রতিফলন হিসাবেও দেখা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ভোটদানের তুলনামূলক একটি পরিসংখ্যান ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। এবছর তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি ছাড়াও সিপিআইএম ও আইএসএফ সহ আরও বেশ কিছু দলের তরফ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। যার মধ্যে দ্বিতীয় দফায় দুপর ৩টে অবধি প্রায় ৭৮.৬৮% ভোট জমা পড়েছিল। পরবর্তীতে এই সংখ্যা আরও বেড়েছিল। এদিকে ২০১১ সালের পরিবর্তনের নির্বাচনের সময়েও ৮৪.৩৩% ভোট পড়েছিল বলে জানা যাচ্ছে।