মুকেশ আম্বানির সঙ্গে সরাসরি টক্কর? এই সেক্টরে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন আদানি, জানলে হবেন ‘থ’

Published on:

Published on:

Adani Group is planning big in this sector.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনকুবের গৌতম আদানি এবার ডিজিটাল দুনিয়ায় একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মূলত, আদানি গ্রুপ (Adani Group) তাদের দ্রুত বর্ধনশীল ডেটা সেন্টার ব্যবসাকে প্রসারিত করার জন্য মেটা এবং গুগলের মতো বড় সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের বিষয়ে আলোচনা করছে। এই পদক্ষেপ থেকে এটা স্পষ্ট যে, আদানি গ্রুপ এবার AI এবং ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের প্রতিযোগিতায় নিজেকে আরও শক্তিশালী করতে চায়। সূত্র অনুযায়ী, আদানি গ্রুপ ওয়ালমার্টের ফ্লিপকার্টের সঙ্গেও আলোচনা করছে এবং দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ডেটা সেন্টারের জন্য জমি খুঁজছে। তবে, এই আলোচনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণ করা হয়নি।

কী পরিকল্পনা আদানি গ্রুপের (Adani Group):

এই পুরো পরিকল্পনাটি আদানির ১০০ বিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল পরিকাঠামো পরিকল্পনার একটি অংশ। যার লক্ষ্য হল বড় ডেটা সেন্টার প্রকল্পগুলির জন্য জমি এবং রিনুয়েবল এনার্জি উভয়ই সরবরাহ করা। AI এবং ক্লাউড পরিষেবার জন্য উভয়কেই অপরিহার্য বলে মনে করা হয়। আদানি গ্রুপ ইতোমধ্যেই এই সেক্টরে প্রবেশ করেছে। EdgConnex-এর সঙ্গে আদানি গ্রুপের জয়েন্ট ভেঞ্চার AdaniConnex নামের সংস্থাটি ইতিমধ্যেই গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় বিশাখাপত্তনমে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি বৃহৎ AI পরিকাঠামো কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

Adani Group is planning big in this sector.

তবে, এবার এহেন নতুন আলোচনা এই বিনিয়োগটি আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সঙ্কেত দিচ্ছে। যদিও আদানি গ্রুপ, মেটা এবং ওয়ালমার্ট এখনও এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। অন্যদিকে, গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেট জানিয়েছে যে, বর্তমানে কোনও নতুন বিনিয়োগের ঘোষণা করা হয়নি।

আরও পড়ুন: রয়েছে বিশেষ কারণ! IPL ২০২৬-এ হবে না উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বড় সিদ্ধান্ত BCCI-র

মুকেশ আম্বানিও একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন: উল্লেখ্য যে, ভারতে ডেটা সেন্টারের জন্য প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে। মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজও এই দৌড়ে রয়েছে। যেটি সম্প্রতি ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি ডেটা সেন্টার প্রকল্পে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এছাড়াও, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস তথা TCS-ও এই সেক্টরের জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের একটি ফান্ড পেয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতে তৈরি হবে ১০০টি নতুন বিমানবন্দর! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

গ্লোবাল কোম্পানিগুলিও পিছিয়ে নেই: সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ইতিমধ্যেই অ্যামাজন ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে ১২.৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে, ChatGPT-র নির্মাতা OpenAI-ও ভারতে একটি বড় ডেটা সেন্টার স্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, ডেটা সেন্টার এবং AI পরিকাঠামোর এই দ্রুত প্রতিযোগিতামূলক দৌড়ে গৌতম আদানিও এবার নিজের জমি শক্ত করছেন।