বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে শাসকদল বদলের পর থেকেই শহরতলীর রেল স্টেশন থেকে একেরপর এক হকার উচ্ছেদের (Hawker Eviction) খবর এসেছে। রেলের (Indian Railways) উচ্ছেদ আটকাতে প্রতিবাদ সভা হয়েছে বহু জায়গায়। এমনকি হাইকোর্টেও পৌঁছেছে মামলা। এবার জানা যাচ্ছে হকার সরিয়ে ভ্রাম্যমাণ ফুড স্টল চালু করতে চলেছে শিয়ালদহ ডিভিশন। ফলে বৈধ লাইসেন্স সহ রেলের জায়গায় ব্যবসা করার সুযোগ মিলবে। কবে থেকে চালু হবে? কোথায় বসবে এই ফুড স্টল? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
ভ্রাম্যমাণ ফুড স্টল চালু হবে শিয়ালদহ ডিভিশনে
হকার উচ্ছেদের ফলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সর্বত্র একটা কথা আলোচনা হয়েছে বহুবার সেটা হল, লক্ষ লক্ষ মানুষ তাড়াহুড়োয় যাতায়াতের মাঝে সস্তায় খাবার খেতে পারতেন কিন্ত হকার উচ্ছেদের জেরে একদিকে যেমন তাদের জীবিকা বিপন্ন হল তেমনি কম টাকায় খাবারও মিলছে না। তাই এবার সবদিক ভেবে স্টেশন পরিসরে ফাঁকা জায়গায় ভ্রাম্যমাণ ফুড স্টল বসানোর অনুমতি দিচ্ছে রেল।
কোন কোন স্টেশনে বসবে এই দোকান?
রেলসূত্রে যেমনটা জানা যাচ্ছে আপাতত শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনে দুটি ভ্রাম্যমাণ স্টল বসানো হচ্ছে। তবে শীঘ্রই অন্য স্টেশনগুলিতেও একই ব্যবস্থা চালু করা হবে। এই স্টলগুলিতে চাকা লাগানো থাকবে। ফলে ব্যবসার সময় যেমন ব্যবসা চলবে তেমনি প্রয়োজনে স্টল অন্যত্র সরিয়েও নেওয়া যাবে। এই ধরণের দোতলা স্টলগুলিকে ‘ভোজন গাড়ি’ বা ‘ফুড স্টল’ বলা হককে যার নিচে খাবার বিক্রি ও উপরে বসে খাওয়ার জায়গা থাকবে বলে জানা যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ বিশ্ব যোগ দিবসে কলকাতায় মোদী, বিশেষ বার্তার পাশাপাশি শুধরে ভিলেন ভঙ্গিমাও
ইতিমধ্যেই এমন গাড়ির জন্য নকশাও নাকি অনুমোদিত হয়ে গিয়েছে। এই স্টল চালু হলে যেমন কর্মসংস্থান হবে তেমনি যাত্রীরা সাধ্যের মধ্যেই খাবারও পাবেন বলে মনে রক হচ্ছে। তবে এই সমস্ত স্টলের ক্ষেত্রে খাবারের ধরণ, সেগুলির গুণমান থেকে শুরু করে বর্জ্য পক্রিয়াকরণ রেলের নিয়ম অনুযায়ী করতে হবে।
এক রেল আধিকারিক জানান, নতুন ডিজাইনের এই স্টলগুলি ছোটখাটো বাস স্টপ বা যাত্রী প্রতীক্ষালয়ের মত দেখতে হ যে। যেখানে চা, কফি থেকে শুরু করে পানীয় জল, কোল্ড ড্রিঙ্কস, বিস্কুট ইত্যাদি পাওয়া যাবে। যে সময় যাত্রী সমাগম বেশি সেই সময় স্টল খোলার রাখার সুযোগ থাকছে। শিয়ালদহ ডিভিশনের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার শীঘ্রই এই স্টল চালু করতে তৎপর। এছাড়া একই ডিভিশনের রেলওয়ে ম্যানেজার, রাজীব সাক্সেনার মতে, ট্রেনে ওঠার আগে খাবার সহ অন্যান্য জিনিস কেনার ক্ষেত্রেও সুবিধা করে দেওয়া সম্ভব হবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।
















