নতুন পুরসভা থেকে জলপ্রকল্প, উত্তরবঙ্গ জুড়ে উন্নয়নের একগুচ্ছ পরিকল্পনা ঘোষণা অগ্নিমিত্রার

Published on:

Published on:

Agnimitra Paul's big initiative for the common people
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা সরকারের। উত্তরবঙ্গ সফরে এসে একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার ঘোষণা করেছেন নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে কী কী ঘোষণা করলেন মন্ত্রী?

উত্তরবঙ্গে নতুন পুরসভার ঘোষণা অগ্নিমিত্রা পালের (Agnimitra Paul)

মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, শিবমন্দিরে নতুন পুরসভা গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতেও পুরসভা তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করে জলনিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও উন্নত বাসস্টপ তৈরি করা হবে বলেও জানা গিয়েছে, যেখানে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে বাসের সময়সূচী, মোবাইল চার্জিং ব্যবস্থা, বসার জায়গা থেকে হ্যাঙ্গিং গার্ডেন এর ব্যবস্থাও থাকছে।

Agnimitra Paul announced for north bengal

জলপ্রকল্পের ঘোষণা মন্ত্রীর: জলপাইগুড়িতে জল প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে, যার আওতায় ৫ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সরবরাহ করা হবে পানীয় জল। উত্তরবঙ্গের অন্যতম পর্যটন এলাকা মিরিক লেক এবং সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়নের কাজ করা হবে। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক, শিলিগুড়িতে ট্র্যাফিক, পানীয় জল এবং নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : দেশের প্রথম ডিজিটাল জনগণনা, অনলাইনে এই ৩৩ টি প্রশ্নের দিতে হবে উত্তর

সবুজায়নে নজর উত্তরবঙ্গে: দার্জিলিংয়ের সিঞ্চল লেকের কাজও প্রায় শেষের পথে। এই প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হলে পানীয় জলের সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে। আগামী পাঁচ বছর সবুজায়নের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়াও দুর্গাপুজোর আগেই মদনমোহন, ভ্রামরীদেবী, জল্পেশ মন্দিরে উন্নয়নের কাজ শুরু হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন : পদ্মার ইলিশের সঙ্গে দিতে পারে টেক্কা, দ্রুত ইলিশ কমছে এপার বাংলার এই নদীতে

মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) বলেন, ১ সেপ্টেম্বর থেকেই রাজ্য জুড়ে প্লাস্টিকের ক্যারি ব্যাগ ব্যবহার, প্রকাশ্যে থুতু ফেলার মতো কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লেই ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। এছাড়া ৮ মে-র মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি শহরকে আবর্জনামুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি পরিশ্রুত পানীয় জল, সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। জমি থাকা সত্ত্বেও আর্থিক কারণে বাড়ি তৈরি করতে পারছেন না, তাদের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র জমা নিয়ে সরকারের সহায়তায় বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।