বাংলা হান্ট ডেস্ক : বাংলায় সরকারি আবাসন প্রকল্পের সুবিধা বণ্টনে এবার মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ১৭ সেপ্টেম্বর সল্টলেকে অন্নপূর্ণা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় রাজ্যে যে নতুন বাড়িগুলি তৈরি হবে, সেগুলির মালিকানা মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। বাড়ির চুক্তিপত্রও মহিলাদের নামেই করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
আবাস যোজনায় মহিলাদের অগ্রাধিকার মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)
রাজ্যে আবাস যোজনার অধীনে নতুন বাড়ি তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই ৫০ লক্ষের বেশি পরিবারের তালিকা প্রস্তুত হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাড়ির মালিকানা নিয়ে মহিলাদের নামই সামনে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সম্পত্তির অধিকার মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকারের।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে ৫০ লক্ষের বেশি নতুন বাড়ি তৈরি হওয়ার জন্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই সমস্ত বাড়ির মালিক মহিলারা হবেন। মহিলাদের নামে এগ্রিমেন্ট করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ির মালিক আমরা মহিলাদেরকেই করব।”
প্রথমবার অন্নপূর্ণা দিবস পালনের কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এবার থেকে প্রত্যেক বছর ১৭ সেপ্টেম্বর দিনটি অন্নপূর্ণা দিবস হিসাবেই পালন করা হবে। তার কারণ বিশ্বের সবথেকে লোকপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদির গ্যারান্টি ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা। যা আমরা ইতিমধ্যে বড় সংখ্যক মহিলাদের অ্যাকাউন্টে দিতে পেরেছি। আজ তাঁর জন্মদিন। প্রত্যেক বছর এইদিনকে অন্নপূর্ণা যোজনা হিসাবে পালন করব।”

আরও পড়ুন :জামিনের শর্ত মানছেন না পার্থ! ফের কি জেলে ফিরতে হবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভারচুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীও। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমাদের মূল মন্ত্র, কথা কম কাজ বেশি। আমরা জানি জরুরি খরচ নিয়ে চিন্তা না থাকলে মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। আর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার সেই আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।” অনুষ্ঠানে মহিলাদের জন্য সরকারের নেওয়া অন্যান্য উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। বিধবা ভাতা-সহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের সহায়তা করার কথা জানান তিনি। সরকারের বক্তব্য, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মহিলাদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সম্পত্তির অধিকারকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।













