বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সকল মহিলাদের অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বর্তমান রাজ্য সরকার। কিন্তু সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গিয়ে পরবর্তীতে দেখা যায় এই তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে বহু যোগ্য প্রার্থীদের নাম। তারপরেই গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে জেলায় জেলায় অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা না পেয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে সামিল হয়েছেন রাজ্যের হাজার মহিলারা।
পশ্চিম মেদিনীপুরে অন্নপূর্ণা ভান্ডার না পাওয়া মহিলাদের বিক্ষোভের মাঝে অগ্নিমিত্রা পাল
এরইমধ্যে শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাশাসক দপ্তরে একটি বৈঠকের মধ্যেই বিক্ষোভকারী মহিলাদের ক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিক্ষোভের মাঝেই এদিন বড়সড় চক্রান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী। তাঁর দাবি সরকারি স্তরে এখনও অনেক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনায় এত সমস্যার জন্য তাদেরকেই দায়ী করেছেন মন্ত্রী।

এদিকে রাজ্যের যেসমস্ত যোগ্য প্রার্থীরা আর্থিক সাহায্য পাচ্ছেন না, তাঁদের সংশ্লিষ্ট বিডিও/এসডিও অফিসে অভিযোগ জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। পাশপাশি গুরুতর অভিযোগ এনে তিনি বলেছেন, ‘আমার বলতে খারাপ লাগছে কিন্তু ভিতরে অনেক তৃণমূলের সব লোক বসে আছে। যাঁরা অনেক গন্ডগোল পাকাচ্ছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘তারিখের পর তারিখ নয়, দ্রুত ন্যায়বিচার পাবেন সাধারণ মানুষ’, আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের
পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘তাঁরা দেখে দেখে যাঁরা যোগ্য তাঁদেরকে না দিয়ে অযোগ্যদের দেওয়া হচ্ছে। যে কারণে যোগ্যরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন।’ তাই বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করে এদিন তিনি বলেছেন, বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও তিনি জানাবেন। এছাড়াও তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টা সবই রাজনীতির অংশ। ধীরে সুস্থে সব ঠিক হয়ে যাবে।’
শুক্রবার মেদিনীপুর গিয়ে দু’দুবার বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। প্রথমে শহরের ধর্মায় বিধায়ক কার্যালয়ে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান বঞ্চিত মহিলারা। পরে জেলাশাসকের অফিসে মিটিং হলে যোগ দেন মন্ত্রী। সেই সময়েও অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত মহিলারা তাঁদের ক্ষোভের কথা জানান।













