বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে INDIA জোটের বড় কর্মসূচির আয়োজন হয়েছিল। সেই নিয়েই এবার রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) তীব্র কটাক্ষ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বললেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা হলে আজীবন মক পার্লামেন্টের থাকতে হবে রাহুল গান্ধীকে। কারণ বাস্তবে প্রধামন্ত্রী হওয়ার সুযোগ কোনোদিনই আসবে না।
‘আজীবন মক পার্লামেন্টের থাকুন’ রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ অমিত শাহের
কিছুদিন আগেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ‘ইম্পিচমেন্ট’ এর দাবিতে মক পার্লামেন্টের আয়োজন করেছিল INDIA জোট। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মূলত নির্বাচনের পক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে অভিযোগ তুলেই পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছিল। অমিত শাহের মতে, প্রধানমন্ত্রী যদি হতে চান তাহলে সারাজীবন মক পার্লামেন্টের থাকুন। কারণ আপনার পালা আর আসবে না। এছাড়া রাহুলের ‘মহব্বত কি দুকান’ স্লোগান সম্পর্কে তিনি জানান, ভালোবাসার দোকান থেকে মানুষ শুধুমাত্র ঘৃণাই কিনতে পারবেন।
রবিবার রামলীলা ময়দানে INDIA জোটের সমাবেশ হয়েছে। যেখানে বিরোধীরা ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ কর্মসূচি নিয়েছে। এদিকে চন্ডিগড়ে এক সভার আয়োজিত হয়েছিল, যেখানে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ। সেখান থেকেই কংগ্রেসকে নিশানা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১লা নভেম্বর ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী দাঙ্গার দিনে কর্মসূচির আয়োজন করে শিখ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত এনেছে কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ বাংলার বুকে প্রথম বার, নিউটাউনে দীপাবলিতে ১ লক্ষ প্রদীপ
এরপর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর করা ‘বড় গাছ পড়লে মাটি কাঁপে’ মন্তব্যের কথাও তোলেন। আর বলেন এই মন্তব্য ডাঙায় ক্ষতি হওয়া লোকেদের ক্ষতে নুন দেওয়ার মত। তাই বিজেপি অনুরোধ করেছিল এই দিনে যেন কোনো কর্মসূচি না নেওয়া হয়। যদিও সেসব কথাই কোনো কর্ণপাত করেনি কংগ্রেস এমনটাই দাবি। কারণ বিদেশ থেকে কর্মসূচির নির্দেশ এসেছিল বলে অভিযোগ অমিত শাহের। এটা ভারত ও পাঞ্জাব কোনোদিনই ভুলবে না।
প্রসঙ্গত, ভোটের আগে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা SIR প্রত্যাহার থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বড়সড় সমাবেশ চলছে বিরোধী INDIA জোটের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, নরেন্দ্র মোদী ক্ষময়ায় আসার পর দাঙ্গার মামলা ফের একবার ওপেন করা হয়েছে। ডাঙায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য করার পাশাপাশি একাধিক কংগ্রেস নেতাদের জেলে ভরা হয়েছে।












