বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তি লেগ-স্পিনার অনিল কুম্বলের (Anil Kumble) ছেলে তাঁর বাবা-মাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন। মূলত, মাত্র ৩ বছর বয়সেই অনিল কুম্বলের পুত্র মায়স একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন। যেটি তিনি এখন পূরণ করেছেন। যার ফলে ছেলের এই সাফল্যে গর্বিত হয়েছেন অনিল কুম্বলে ও তাঁর স্ত্রী চেতনা।
বাবা-মাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন অনিল কুম্বলের (Anil Kumble) পুত্র:
ছোটবেলা থেকেই একটি বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল: জানিয়ে রাখি যে, মাত্র ৩ বছর বয়সেই অনিল কুম্বলের পুত্র, মায়স ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি তাঁর বাবা-মাকে এই লক্ষ্যের কথা জানিয়েও দিয়েছিল। এই লক্ষ্য নিয়ে তাঁর মনে কোনও সন্দেহ ছিল না। ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার পর অনিল কুম্বলের স্ত্রী একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা জানান। অনিল কুম্বলের পুত্র মায়স আমেরিকার একটি ছোট রাজ্যে ইলিনয়ের শহর শ্যাম্পেইন থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।

‘আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার হব’: চেতনা কুম্বলে তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “‘আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার হব’ সে এমন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিল যা কেবল একটি শিশুই দেখাতে পারে।” তিনি আরও লিখেছেন যে, ৩ বছর বয়সে তাঁর পুত্র ছোট্ট হাতে যন্ত্র তুলে নিত এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা করত যে একদিন একটি নতুন স্কুটার তৈরি করবে। ৭ বছর বয়সে তাঁর স্বপ্ন আরও বড় হয়ে গিয়েছিল। মায়স তখন গাড়ি ডিজাইন করার কথা বলতেন। তিনি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করতেন যে, গাড়িটির নাম রাখবেন MAK। এখানে ‘MAK’ বলতে অনিল কুম্বলেকে বোঝানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারতীয় রেলে এবার নতুন লোগো! মিলল মন্ত্রকের অনুমতি, কেন হচ্ছে পরিবর্তন?
অনিল কুম্বলের স্ত্রী তাঁর পোস্টে আরও লিখেছেন যে, ‘বাবা-মা হিসাবে আমরা শৈশবের স্বপ্ন দেখে হাসি। আমরা ভাবি, সামনে কী আছে। কিন্তু আজ, ওকে ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে স্নাতক হতে দেখে আমি একটা সুন্দর জিনিস উপলব্ধি করছি: কখনও কখনও শিশুরা পৃথিবীর জানার অনেক আগেই জেনে যায় তারা কারা।’
আরও পড়ুন: কলকাতায় হয়েছে তৈরি! ভারতীয় নৌবাহিনী পাচ্ছে প্রথম নেক্সট জেনারেশন অফশোর পেট্রোল ভেসেল
চেতনা কুম্বলে বলেন, “আমার ছেলেকে হৃদয় একটি উদ্দেশ্য নিয়ে একজন ইঞ্জিনিয়ার হতে দেখাটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা আনন্দ। আমি তার জন্য গর্বিত। যে ছোট্ট ছেলেটি বলেছিল, ‘আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার হব’, সে তার কথা রেখেছে।'” এদিকে, অনিল কুম্বলে তাঁর পুত্রের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত। আমার ছেলে! তুমি তোমার বাবার পথ অনুসরণ করেছ। অভিনন্দন। এটাকে তোমার করে নাও।’













