বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যজুড়ে অভিযান চালিয়ে একাধিক রেস্তোরাঁ থেকে উদ্ধার হয়েছে পচা মাংস (Rotten Meat)। এপ্রসঙ্গে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি জানান, ‘ভাগাড়ের মাংস বিগত সরকারে আমলে আমাদের ওখানে ব্যারাকপুর, কাঁকিনাড়ায় ভাগাড়ের মাংস মানে মরা মাংস নিয়ে সমস্ত হোটেলে হোটেলে বিক্রি করতো। তো এদের ওপরে কুকুরের মাংস,গরুর মাংস, ছাগলের মাংস সব মরা যে সমস্ত এখনও তো তারা বহাল তবিয়তে করেই যাচ্ছে।’
মানুষকে তো অ্যাকচুয়ালি এরা বিষই খাওয়াচ্ছে : অর্জুন সিংহ
প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মেনেই রাজ্যজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে খাদ্যসুরক্ষা দফতর। তাই তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাজ্যের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী বললেন, ‘ধন্যবাদ জানাবো মুখ্যমন্ত্রীকে। উনি ইন্সট্রাকশন দিয়ে সমস্ত জায়গায় রেড করাচ্ছেন। বেআইনিভাবে যারা স্টোরেজ করেছে, বেআইনিভাবে যারা পচা মাংস বিক্রি করছে, পচা মাছগুলোকে ফ্রিজের মধ্যে তার টাইম পেরিয়ে যাওয়ার পরেও রেখে দিচ্ছে। তো মানুষকে তো অ্যাকচুয়ালি এরা বিষই খাওয়াচ্ছে।’
একইসাথে মন্ত্রীর সংযোজন, ‘আমাদের চায়ের বাগানে একটা কেমিক্যাল ইউজ করছে যেটা ইউজ করলে মানুষের ক্ষতি হবে। আমরা ব্যাপকভাবে ধরপাকড় শুরু করেছি। কিন্তু কিছু আছে যারা ওই সো-কলড ইউনিয়ন। বামপন্থী ইউনিয়নের এই তো কাজ ছিল। ইউনিয়নের নামে শুধু প্রহসন করেছে। চা বাগানের দিকে এসব করে এরা। যত নেগেটিভ কাজ যাতে মানুষের ক্ষতি হয়, এরাই সেই সমস্ত কাজ করে যাচ্ছে।’
আরও পড়ুনঃ ‘মাঝে মাঝে ধরপাকড় হবে, পচা মাংস পেলেই রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল!’ কড়া হুঁশিয়ারি খাদ্যমন্ত্রীর
প্রসঙ্গত চায়না টাউন-এর বিগ বস একদম নামি রেস্তোরাঁ সেখানে ৫০০ কেজি মাংস পড়ে রয়েছে । অথচ তারা নাকি জানেনই না। পৌরসভার অভিযানে যে ৫০০ কেজি মাংস উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলোর ডেট ওভার হয়ে গিয়েছে। অথচ তারা সেগুলোই মানুষকে খাওয়াচ্ছে।
এপ্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে অর্জুন সিং স্পষ্ট বললেন, ‘জানে সবই। ওরা জেনেশুনে এসব করে। আর বাংলাতে মানুষ এখানে কিভাবে বেঁচে আছেন! ঠাকুর যদি কোথাও থেকে থাকেন তাহলে বাংলাতেই আছেন, পশ্চিমবাংলায় আছেন। তা না হলে এমন পচা মাংস খাইয়ে খাইয়ে, হোটেলে-রেস্টুরেন্টে কালার খাইয়ে খাইয়ে, মানে যেটা বিষাক্ত কালার সেটা বিরিয়ানিতে ইউজ করা হচ্ছে। এসব খাইয়ে খাইয়ে তো মানুষকে মেরে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা মাঝে মাঝে বলি না খাওয়ার মধ্যে থুতু ফেলে খাওয়ায় একটা শ্রেণীর মানুষ আছে। তো এটা এখানেও চলছে।’
প্রসঙ্গত বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে একাধিক বিরিয়ানির দোকান গজিয়ে উঠেছে, এবং সেখানে ১০০ টাকা কিংবা ২০০ টাকায় বিরিয়ানি পাওয়া যায়। এই বিরিয়ানির দোকান গুলো যারা করেছেন তারাও তো তৃণমূলের আমলেই এই দোকান তৈরি করেছে। এ প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বললেন, ‘তৃণমূলের আমলে, তৃণমূলের লোকেরাই এই সমস্ত কিছু অবাধ ভাবে করে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা আটকাবো। মানুষের রায়ে আমরা এখানে এসেছি, এগুলো বন্ধ করাবো।’













