তীব্র খাদ্য সঙ্কটের সম্মুখীন বাংলাদেশ-পাকিস্তান! ভারতের আরও এক পড়শি দেশেও শোচনীয় অবস্থা

Published on:

Published on:

Bangladesh and Pakistan face severe food crisis!
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট (Food Crisis) ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, যার জেরে একাধিক দেশে চরম দুর্দশার ছবি সামনে আসছে। জাতিসংঘ সমর্থিত গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের জন্য খাদ্য সংকটে সবচেয়ে বিপর্যস্ত ১০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই তালিকায় ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশের নাম থাকায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে দক্ষিণ এশিয়ায়।

তীব্র খাদ্য সঙ্কটের (Food Crisis) সম্মুখীন বাংলাদেশ-পাকিস্তান!

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্য সংকটের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে সুদান ও দক্ষিণ সুদান। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো, মায়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, সিরিয়া এবং ইয়েমেন। এই দেশগুলিতে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন খাদ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ঠিক যেন সিনেমা! মঙ্গলবার জাহাঙ্গীরের পার্টি অফিসের কাছে পৌঁছলেন অজয় পাল শর্মা, তারপরে যা হল…

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের মূল কারণ একাধিক। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খরা ও বন্যার মতো চরম আবহাওয়া, এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা—সব মিলিয়ে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা লেগেছে। এর ফলে খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়েছে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য।

২০২৬ সালেও এই পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা খুবই কম বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বরং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও সিরিয়ার মতো দেশে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে কঙ্গো, মিয়ানমার ও আফগানিস্তানের মতো দেশে পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

Bangladesh and Pakistan face severe food crisis!

আরও পড়ুন: পহেলগাঁও স্টাইলে হামলা! দেশের এই শহরে ধর্ম জিজ্ঞেস করে নিরাপত্তারক্ষীদের ধারাল অস্ত্রের কোপ

অন্যদিকে, চলতি বছরে সোমালিয়া এবং হাইতির মতো দেশেও খাদ্য সংকট ভয়াবহ আকার নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট (Food Crisis) মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, টেকসই কৃষি ব্যবস্থা এবং জরুরি খাদ্য সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।