বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বারুইপুর নাবালিকা ধর্ষণ খুন কাণ্ডের (Baruipur Rape and Murder Case) অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে পুলিশের এনকাউন্টারে (Baruipur Encounter) তাঁর মৃত্যু হয়। এবার সেই প্রভাসেরই দেহ ময়নাতদন্তের আগে এক্স-রে করা হল। জানা গিয়েছে, রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথম এই রকম বুলেট ইনজুরির ক্ষেত্রে ময়নাতদন্তের আগে এক্স-রে হল।
বারুইপুর এনকাউন্টারে মৃতের ময়নাতদন্তের আগে এক্স-রে | (Baruipur Encounter)
সোমবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইডেন বিল্ডিংয়ের সামনে প্রায় দেড় ঘণ্টা শবদেহ বহনকারী যানে বারুইপুর এনকাউন্টারে মৃত প্রভাসের দেহ রাখা ছিল। পরবর্তীতে ডিজিটাল এক্স-রে ইউনিটে সেই দেহ ঢোকানো হয়। সঠিকভাবে যাতে ডকুমেন্টেশন করা হয় সেই জন্যই এই পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে মৃতের শরীরের ভিতর বুলেট রয়েছে কিনা তা জানা যাবে।
আরও পড়ুনঃ আজও চলবে ঝড়বৃষ্টির তাণ্ডব! দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা, উত্তরে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
জানা গিয়েছে, মূলত দু’টি কারণে প্রভাসের ময়নাতদন্তের আগে এক্স-রে করা হতে পারে। প্রথমত, পরবর্তীকালে কোনও ভাবে কেউ যাতে বলতে না পারে মৃত্যুর পর তাঁর দেহে বুলেট ঢোকানো হয়েছে এবং দ্বিতীয়ত, বুলেট ভিতরে থাকলে সেটা শরীরের কোন অংশে আছে তা জানা যাবে। ফলে ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রে অনেকখানি সুবিধা হবে।
রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব সহ দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে ময়নাতদন্তের আগে মৃতদেহের এক্স-রে করার নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। তবে বাংলার বুকে এই প্রথম এমনটা হল বলে জানা গিয়েছে।

বারুইপুর ধর্ষণ খুন কাণ্ডে সর্বপ্রথম এই প্রভাসকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রভাসকে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যায় সিটের সদস্যরা ও বারুইপুর থানার একটি টিম। অভিযোগ, সূর্যপুরের ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই এক তদন্তকারী আধিকারিকের কোমরে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেন প্রভাস। পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলিও চালান বলে অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে প্রভাসকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। সিটের সদস্য তথা বারুইপুর থানার সাব-ইনস্পেক্টর অর্ঘ্য মণ্ডলের চালানো গুলি প্রভাসের শরীরে গিয়ে লাগে এবং সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাঁকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।













