শুধু ধর্ষণ-খুন নয়? বারুইপুর মামলায় সামনে এল আরও বড় সন্দেহ

Published on:

Published on:

Baruipur Rape and Murder Case Police Looking Beyond the Crime
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বারুইপুরের ১১ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Baruipur Rape and Murder Case) তদন্তে নতুন দিক সামনে এসেছে। শুধু খুনের কারণ নয়, এই ঘটনার সঙ্গে কোনও নারী পাচার চক্রের যোগ আছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সেই কারণেই তদন্তে সাহায্য করতে ডাকা হয়েছে অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসার কাকলি ঘোষ কুণ্ডুকে।

বারুইপুর কাণ্ডে (Baruipur Rape and Murder Case) নারী পাচার যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ

সূর্যপুরের এই ঘটনায় (Baruipur Rape and Murder Case) প্রথম থেকেই জোরকদমে তদন্ত চলছে। তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশের মনে প্রশ্ন উঠেছে, এর পিছনে কোনও নারী পাচার চক্রের ভূমিকা ছিল কি না। সেই সম্ভাবনা যাচাই করতেই বারুইপুর থানায় ডাকা হয়েছে কাকলি ঘোষ কুণ্ডুকে।

কাকলি ঘোষ কুণ্ডু দীর্ঘদিন বারুইপুর এবং আশপাশের এলাকায় কাজ করেছেন। তিনি একসময় মহিলা থানার ওসি ছিলেন। নারী পাচার সংক্রান্ত একাধিক মামলার তদন্ত করেছেন এবং অনেক জটিল মামলার সমাধানও করেছেন। তাই এই মামলায় তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

পুলিশের মতে, বারুইপুর থেকে কুলতলি ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা হয়ে সীমান্তে পৌঁছনোর পথ রয়েছে। অতীতে এই রুট ব্যবহার করে নারী পাচারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তাই বর্তমান ঘটনার সঙ্গে এমন কোনও চক্রের সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার কাকলি ঘোষ কুণ্ডু এলাকায় গিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। পাশাপাশি ধৃতদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। কোনও পাচার চক্রের সূত্র মেলে কি না, সেটাই দেখার চেষ্টা হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৪ এপ্রিল পুলিশে যোগ দেন কাকলি ঘোষ কুণ্ডু। হাওড়ার শিবপুর পুলিশ লাইন এবং স্বামী বিবেকানন্দ স্টেট পুলিশ অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর তিনি দীর্ঘদিন বারুইপুর এলাকায় কাজ করেছেন। নারী ও শিশু সুরক্ষা নিয়ে তাঁর কাজের জন্য তিনি পরিচিত।

Baruipur Rape and Murder Case Section 163 Imposed 2 Arrested

আরও পড়ুনঃ নাবালিকার মৃত্যুর পর উত্তাল বারুইপুর, ২৪ ঘণ্টায় কী কী করল শুভেন্দু সরকার?

শুধু পুলিশ অফিসার হিসেবেই নয়, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্যও নানা কাজ করেছেন তিনি। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ‘মেয়ে পুলিশের ডায়ের’ নামে একটি বইও লিখেছেন। এবার বারুইপুরের এই বহুচর্চিত মামলায় (Baruipur Case) কোনও নারী পাচার যোগ রয়েছে কি না, সেই উত্তর খুঁজতেই তাঁর উপর ভরসা রাখছে তদন্তকারী দল।