বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, আগামী ৪ থেকে ৯ জুনের মধ্যে বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal) সংলগ্ন অঞ্চলে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে একাধিক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারত। জারি করা NOTAM এবং নৌ-সতর্কবার্তাগুলি থেকে অনুমান করা হচ্ছে যে, এই সময়কালে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং নৌবাহিনী বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে পারে। প্রথম বিজ্ঞপ্তিটি ওড়িশার আব্দুল কালাম দ্বীপ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র সম্পর্কিত। যেটির আওতায় আগামী ৪ জুন থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) বড় প্রস্তুতি:
জানিয়ে রাখি যে, এই এলাকাটি প্রায় ৩৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ। সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে যে, আগামী ৪ জুন থেকে ৯ জুনের মধ্যে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হতে পারে। এদিকে, বিশাখাপত্তনমে অবস্থিত ভারতীয় নৌবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড এলাকা থেকে দ্বিতীয় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। যেখানে ৭ জুন থেকে ৯ জুনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে নৌবাহিনীর জাহাজ দ্বারা অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য প্রায় ৪৭০ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী গত মে মাসেও NOTAM জারি করেছিল: উল্লেখ্য যে, বর্তমান সময়ে ভারত দ্রুত তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়মিত আধুনিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে। এর আগে, গত ভারত ২৫ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের একটি বিশাল এলাকাকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কারণে ‘বিপজ্জনক’ চিহ্নিত করে NOTAM জারি করেছিল।
আরও পড়ুন: মাঝ সমুদ্রেই শত্রুদের বিনাশ করবে MARCOS! আত্মনির্ভরতার মাধ্যমে বড় পদক্ষেপের পথে ভারতীয় নৌবাহিনী
NOTAM কী: যখন কর্তৃপক্ষ আকাশসীমার কোনও নির্দিষ্ট এলাকার ওপর দিয়ে অসামরিক বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজন মনে করে, তখন NOTAM জারি করা হয়। এটি সাধারণত সংবেদনশীল বা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের সময় করা হয়ে থাকে। অতীতে, পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতসহ সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সময়েও NOTAM জারি করা হয়। তখন বাণিজ্যিক বিমানগুলিকে অপারেশনাল জোন থেকে দূরে রাখতে এই ধরণের সতর্কবার্তা ব্যবহার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ভাঙলেন ১৯ বছরের রেকর্ড! একই টুর্নামেন্টে ২ বার কার্লসেনকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়লেন প্রজ্ঞানন্দ
মূলত, ভারত সাম্প্রতিক মাসগুলিতে তার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের পরীক্ষা জোরদার করেছে। অগ্নি সিরিজ থেকে শুরু করে সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য কে-৪ এবং হাইপারসনিক LRAShM ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৮০০ কিলোমিটার পাল্লার ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।













