রাতেই ‘পাচার’ হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল! কলকাতা পুরসভা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিজেপি কাউন্সিলরের

Updated on:

Updated on:

BJP councilor makes explosive claim about Kolkata Municipal‌ Corporation
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতা পুরসভাকে (Kolkata Municipal Corporation) ঘিরে বেআইনি নির্মাণ বিতর্ক নিয়ে যখন ক্রমশ রাজনৈতিক তরজা চলছে, ঠিক সেই সময় সামনে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি গোপনে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা চলছে বলে দাবি  বিজেপি নেতা তথা ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠকের। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল পুরসভার ট্রেজারি বিল্ডিংয়ে জমা থাকা বহু নথি রাতের অন্ধকারে অন্যত্র পাচার করার পরিকল্পনা করেছে।

পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation) ঘিরে অভিযোগ বিজেপি কাউন্সিলরের

বিজেপি কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠকের দাবি, কয়েকদিন ধরেই পুরসভার অন্দরে নথি সরানোর বিষয়ে একাধিক তথ্য তাঁর কাছে পৌঁছচ্ছিল। বিভিন্ন দফতর থেকে পুরনো ফাইল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এক জায়গা থেকে অন্যত্র সরানো হচ্ছে বলেও খবর পান তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে সরাসরি পুরসভার সচিব কিশোর কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেন বিজেপি কাউন্সিলর। পাশাপাশি রাতের সময়ে ট্রেজারি বিল্ডিংয়ে নজরদারি বাড়ানোর আবেদনও জানান তিনি। পরে সচিবকে সঙ্গে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভবন ঘুরে দেখেন সন্তোষ পাঠক।

বিজেপি নেতার বক্তব্য, পুরসভার কিছু কর্মী তাঁকে জানিয়েছেন যে তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের সময়কালের নানা অনিয়ম ও বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত নথি গোপনে সরানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর আশঙ্কা, গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্যপ্রমাণ সরিয়ে ফেলতেই এই তৎপরতা শুরু হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে, সন্তোষ পাঠক বলছেন, “চার থেকে পাঁচ দিনধরে আমার কাছে খবর আসছিল। এখানেই বিভিন্ন বিভাগ থেকে নথি সরিয়ে ভিতরেই অন্যত্র রাখা হচ্ছে। রাতেই সেগুলি নিয়ো যাওয়ার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। সেই খবর আমি সচিবকে দিয়েছি। আগে ওরা নবান্ন থেকে সব সরাতে চেয়েছিল। কিন্তু ওখানে তো সিআরপিএফ ছিল। এখানে তো নেই। ভোটের আগে বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট থেকে তো ২০০-৩০০ প্ল্যান বেরিয়েছে নিয়ন বহির্ভূতভাবে। হতে পারে এখন সেগুলি সরানোর চেষ্টা হচ্ছে।”

BJP councilor makes explosive claim about Kolkata Municipal‌ Corporation

আরও পড়ুন :বাংলা থেকে পাঞ্জাব সফর হবে আরও সহজ, নতুন ট্রেন চালানোর বড় ঘোষণা রেলের

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতা পুরসভাকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্ধারিত অধিবেশন বাতিল হওয়া নিয়ে শাসকদলের অন্দরেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। পুর কমিশনারকে ঘিরেও রাজনৈতিক চাপানউতোর দেখা যায়। তার মধ্যেই এবার নথি সরানোর অভিযোগ নতুন করে উত্তাপ বাড়াল পুর রাজনীতিতে।