ব্রিকস সম্মেলনে ভারত-চিন সম্পর্কে নয়া মোড়! এই ৭ বিষয়ে সম্মতি দুই দেশের

Published on:

Published on:

BRICS summit marks a new turning point in India-China relations.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের জেরে, দীর্ঘ ৭ বছর পর ভারত ও চিন (India-China) একে অপরের নীতিকে আন্তরিকভাবে সমর্থন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ইতিমধ্যেই চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) সঙ্গে তাঁর বৈঠকে আস্থার ৩ টি ‘পারস্পরিক স্তম্ভের’ ওপর জোর দিয়েছেন। যেগুলি হল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সংবেদনশীলতা এবং পারস্পরিক স্বার্থ। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে ভারত ও চিন ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও সমঝোতায় পৌঁছেছে। বর্তমান প্রতিবেদনে এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করা হল।

এই ৭ বিষয়ে সম্মতি দুই দেশের (India-China):

৭ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভারত-চিনের সম্মতি: জানিয়ে রাখি যে, ভারত-চিন ইতিমধ্যেই সম্পর্ককে কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এর পাশাপাশি, মতপার্থক্যকে বিবাদে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।

BRICS summit marks a new turning point in India-China relations.

এদিকে, সীমান্ত বিরোধের একটি ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খোঁজা হবে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানকে উৎসাহিত করা হবে। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্বেগের সমাধান খোঁজা হবে এবং আঞ্চলিক ও গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা জোরদার করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: জাভা সাগরে ডুবল ইন্দোনেশিয়ার যাত্রীবাহী জাহাজ! উদ্ধার ১০৩ জন যাত্রী, নিখোঁজ ১৪০, মৃত ১

মতপার্থক্য যেন বিবাদে পরিণত না হয়: উল্লেখ্য যে প্রধানমন্ত্রী মোদী স্বীকার করেছেন যে, ২ দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। কিন্তু তিনি এও জোর দিয়েছেন যে এই মতপার্থক্য যেন বিবাদে পরিণত না হয়। অন্যদিকে, চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং স্বীকার করেছেন যে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল ২ টি দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসাবে উভয় দেশেরই একটি উল্লেখযোগ্য দায়িত্ব রয়েছে এবং তাদের অবশ্যই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি, ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী এও বলেন যে, ‘আমাদের বৈচিত্র্যই হওয়া উচিত আমাদের পরিচয় এবং আমাদের সহযোগিতাই হওয়া উচিত আমাদের অনুপ্রেরণা।’

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের চাই বৈভব সূর্যবংশীর মতো খেলোয়াড়! PCB-র বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন ওয়াসিম আক্রম

ব্রিকসে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কূটনীতি ফলপ্রসূ হয়েছে: জানিয়ে রাখি যে, সারা বিশ্ব এখন দিল্লির দিকে তাকিয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর কূটনীতিও পরীক্ষিত হচ্ছে। এই আবহে ব্রিকস ঘোষণাপত্রটি ভারতের জন্য একটি বিজয়। যেটি থেকে ৫ টি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। মূলত, UNSC-তে এবার চিন ভারতের বিরোধীতার পরিবর্তে সমর্থন করবে। চিন নিউ দিল্লি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরও করেছে। এর পাশাপাশি, পাহেলগাঁও জঙ্গি হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি গৃহীত হয়েছে। সকল সদস্য দেশ সর্বসম্মতিক্রমে এতে সম্মত হয়েছে। এছাড়াও, ভারত বরাবরই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পক্ষে কথা বলেছে এবং ব্রিকসও এর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। সব দেশ একত্র হয়ে স্বেচ্ছাচারী শুল্ক নীতির বিরুদ্ধেও একটি প্রস্তাব পাস করেছে।