বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ব্রিগেডের ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভাকে ঘিরে যখন হাজার হাজার মানুষের ভিড়, তখনই সামনে আসে এক অন্য ঘটনা। চিকেন প্যাটিস বিক্রি ঘিরে পুরনো বিতর্ক (Brigade Patties Controversy) যেন আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। ঘাটাল থেকে প্যাটিস নিয়ে আসা এক বিক্রেতাকে বিক্রি করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি সমর্থকদের একাংশের প্রতিক্রিয়াও সামনে আসে।
নতুন করে সামনে এল প্যাটিস বিতর্ক (Brigade Patties Controversy)
কয়েক মাস আগে দশ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানের দিন ব্রিগেড ময়দানে চিকেন প্যাটিস বিক্রি করা নিয়ে তুমুল বিতর্ক (Brigade Patties Controversy) তৈরি হয়েছিল। সেই সময় এক বিজেপি সমর্থকের সঙ্গে এক সনাতনী ব্যক্তির তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বিষয়টি বেশ আলোচনায় আসে। সময়ের সঙ্গে সেই ঘটনা অনেকটাই বিলীন হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু শনিবার প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সভার দিন সেই প্যাটিস বিতর্ক যেন আবার নতুন করে সামনে এল।
ব্রিগেডে সভায় ফের প্যাটিস বিক্রি
ঘাটাল থেকে আলী নামে এক প্যাটিস বিক্রেতা ব্রিগেডের সভায় প্যাটিস বিক্রি করতে আসেন। কিন্তু তার অভিযোগ, পুলিশ তাকে প্যাটিস বিক্রি করতে বারণ করে। কেন বিক্রি করতে দেওয়া হচ্ছে না জানতে চাইলে পুলিশ নাকি জানায়, আগের সেই বিতর্কের কারণে এখন কোনও ধরনের প্যাটিস বিক্রি করা যাবে না (Brigade Patties Controversy)।
তবে এই ঘটনার পর আলীর পাশে দাঁড়ান বিজেপি কর্মীদের একাংশ। তারা আলীর কাছ থেকেই প্যাটিস কিনে খান বলে জানা যায়। শুধু তাই নয়, বহু হিন্দু বিজেপি সমর্থকও এদিন আলীর কাছ থেকে প্যাটিস কিনেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, তাদের কাছে ধর্মের ভিত্তিতে কোনও ভেদাভেদ নেই। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান বা জৈন, সবাই তাদের কাছে সমান। তাই কারও ব্যবসায় বাধা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তারা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম, দুই কেন্দ্রেই শুভেন্দু? মমতার গড়ে ‘মেগা’ লড়াইয়ের জল্পনা
পুলিশের এই নিষেধাজ্ঞা নিয়েই অবশ্য বিজেপি সমর্থকদের একাংশ কটাক্ষ করেন। তাদের দাবি, কোনও ব্যবসায়ীকে এভাবে বাধা দেওয়া ঠিক নয়। ঘটনাটি নিয়ে ব্রিগেড চত্বরে আবারও প্যাটিস বিতর্কের (Brigade Patties Controversy) প্রসঙ্গ সামনে আসে।













