বাংলাহান্ট ডেস্ক : কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় স্বস্তি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। প্রাক্তন আইপিএস তথা তৃণমূল নেতা প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলায় থানায় ডাকা যাবে না বিরোধী দলনেতাকে, এমনই জানিয়েছে আদালত। ওই মামলায় সাত দিনের মধ্যে চাঁচল থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল শুভেন্দুকে। পালটা আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। আর এবার হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, শুভেন্দুকে থানায় ডাকতে পারবে না পুলিশ। যা করার করতে হবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে।
কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)
সম্প্রতি মালদা সফরে গিয়ে তৃণমূল নেতা প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাঁচাছোলা ভাষায় কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতিগ্রস্ত বলে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, ‘খগেনদাকে ভুয়ো ভোটে হারিয়ে দিত। গণনার আগের দিন এই প্রসূন… একজন ডাকাত, চরিত্রহীন, লম্পট। ইয়াসিনকে নিয়ে লুঠ করতে গিয়েছিল।’

প্রসূনকে কটাক্ষ শুভেন্দুর: তিনি আরও বলেন, ‘এক দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ অফিসার ছিল, যাকে সকলে বলে চরিত্রহীন প্রসূন। এখন নেতা হয়েছেন, রাজ্য সরকারের পদে রয়েছেন। ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেতন পান। আবার চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূলের কোঅর্ডিনেটর হয়েছেন’। পালটা তাঁর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনেন তৃণমূল নেতা। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হলে নোটিশ যায় শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কাছে।
আরও পড়ুন : শুভেন্দুর কনভয়ে হামলার ঘটনায় ভিন্ন ধারায় মামলা, পুলিশের বিরুদ্ধে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি
কী জানাল হাইকোর্ট: ওই নোটিশে থানায় সশরীরে হাজিরা দেওয়ার পাশাপাশি তদন্তে সহযোগিতা করার কথাও বলা হয়েছিল। এরপরেই পালটা নোটিশ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর পক্ষেই রায় দেয় হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন : SIR শুনানিতে হাজিরা দিয়ে ছবি-অটোগ্রাফ! কী ঘটল সাংসদ দেবের সঙ্গে?
উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর শুভেন্দু অধিকারীকে কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলত আদালতের অনুমতি ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার ছাড়পত্র মিলেছিল। কিন্তু এদিন কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মামলায় থানায় ডাকা যাবে না রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি।












