হাই কোর্টে রুজিরার সওয়াল! অভিষেক-পত্নীর মামলায় বড় নির্দেশ আদালতের

Published on:

Published on:

Calcutta High Court Extends Rujira’s Interim Protection
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী হওয়ার কারণে তাঁকেও বিভিন্ন তদন্ত এবং রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে টেনে আনা হচ্ছে। এমনই অভিযোগ রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধ করার আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেছেন তিনি। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয়। আদালত আগের অন্তর্বর্তী নির্দেশের মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে।

২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বহাল আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ

মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে মামলাটি ওঠে। রুজিরার হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কিশোর দত্ত। তিনি আদালতে (Calcutta High Court) বলেন, ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর এই মামলায় আগেই একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। রুজিরা নিজে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তি নন। কিন্তু তাঁর স্বামী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতিতে থাকার কারণে বিভিন্ন ঘটনায় রুজিরাকেও টেনে আনা হচ্ছে।

রুজিরার আইনজীবীর দাবি, এর ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং সম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই এই ধরনের ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধ করাই তাঁদের মূল দাবি। এই মামলায় ED-র পক্ষ থেকে আরও সময় চাওয়া হয়। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করে দেয়। পাশাপাশি আগের অন্তর্বর্তী নির্দেশের মেয়াদও বাড়ানো হয়।

আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অনুযায়ী, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশ কার্যকর থাকবে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে ২৮ নভেম্বর। এর আগে ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর আদালত জানিয়েছিল, তদন্ত চলার সময় সংবাদমাধ্যমে কাউকে এমনভাবে দেখানো ঠিক নয়, যাতে বিচার শেষ হওয়ার আগেই মানুষের মনে তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধী হওয়ার ধারণা তৈরি হয়। তদন্তের গোপনীয়তা এবং একজন নাগরিকের সম্মানের বিষয়টিও আদালত গুরুত্ব দিয়েছিল।

Calcutta High Court raises big questions on appointment of teachers for census work

আরও পড়ুনঃ কলকাতায় ২০৯ আসনে প্রার্থী দেবে ‘আসল’ তৃণমূল! পুজোর পরই কি পুরভোট?

রুজিরার বক্তব্য, অভিষেকের নাম বিভিন্ন তদন্ত এবং রাজনৈতিক বিতর্কে আসার কারণে তাঁকেও বারবার সেই সব ঘটনায় জড়ানো হচ্ছে। এতে তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেই কারণেই হাই কোর্টে (Calcutta High Court) ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ বন্ধ করার আবেদন করেছেন তিনি।