বাংলা হান্ট ডেস্কঃ হাইকোর্টে মামলা হতেই চালু হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmir Bhandar)। বিজেপির দখলে থাকা গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ ছিল বলে মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। তারপরই ভাতার টাকা চালু করল প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছিল বিজেপি করার জন্য উপভোক্তাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
উপভোক্তাদের কাছে আসতে শুরু করল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার | Laxmir Bhandar
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার অন্তর্গত ময়না ব্লকের বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েতে উপভোক্তাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ ছিল বলে অভিযোগে আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা। এদিন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায় দাসের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলা শুনানির জন্য ওঠে।
হাইকোর্টে রাজ্যের আইনজীবী জানান, উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাঠানো হয়েছে। যদিও হাইকোর্টের নির্দেশ দিয়েছে, গত কয়েকমাস কেন টাকা বন্ধ রাখা হয়েছিল, তা তিন সপ্তাহের মধ্যে লিখিত আকারে আদালতকে জানাতে হবে রাজ্যকে৷ আগে এই মামলায় রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছিল হাইকোর্ট। এদিন রিপোর্ট দিয়েছে রাজ্য।
কী অভিযোগ ছিল?
অভিযোগ ছিল, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার অন্তর্গত ময়না ব্লকের বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েতে মিলছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মূলত গ্রামপঞ্চায়েত বিজেপির দখলে হওয়ায় রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা প্রাপকরা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ ছিল।

আরও পড়ুন: ‘চারিদিক থেকে সরকারকে চেপে ধরার চেষ্টা’, বকেয়া DA নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে নয়া মোড়, শুনানি কবে?
ওদিকে রাজ্যের তরফে রাজ্যের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এই টাকা দিয়ে থাকে। সেখানে এই বিষয়ে কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। অনুসন্ধান চলছে৷ সেই সময় রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এই বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করে জানানো হবে। এর জন্য তিনি আদালতের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নেন। আজ রাজ্যের তরফে রিপোর্ট জমা করা হয়।












