বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল সেতুটি ভারতে অবস্থিত। যেটি রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের রেয়াসি জেলার বাক্কাল এবং কৌরির মধ্যে চেনাব নদীর ওপর। তাই এটি চেনাব সেতু নামেও পরিচিত। নদীগর্ভ থেকে এই ব্রিজের উচ্চতা ৩৬৯ মিটার। যা প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের চেয়ে ৩৫ মিটার বেশি উঁচু। এবার এই সেতুর ওপর দিয়ে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express) ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে। মূলত, রেল (Indian Railways) কর্তৃপক্ষ কাটরা ও বানিহালের মধ্যে ট্রেনের (Train) সর্বোচ্চ গতি বাড়িয়ে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা করেছে।
এবার বিশ্বের সর্বোচ্চ রেল সেতু দিয়ে ১০০ কিমি বেগে ছুটবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express):
গতি বাড়বে: জানিয়ে রাখি যে, সংবাদ সংস্থা PTI-এর একটি রিপোর্ট অনুসারে, উত্তর রেলওয়ের জম্মু বিভাগ কাটরা ও বানিহালের মধ্যবর্তী ১১১ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে গতি বাড়িয়ে ১০০ কিমি/ঘণ্টা করেছে। পূর্বে, এই রুটে শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা থেকে সাঙ্গালদান সেকশনে সর্বোচ্চ ৮৫ কিমি/ঘণ্টা এবং সাঙ্গালদান থেকে বানিহাল সেকশনে ৭৫ কিমি/ঘণ্টা গতিতে ট্রেন চলার অনুমতি দেওয়া হত।

একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ: উল্লেখ্য যে, কাটরা থেকে বানিহাল পর্যন্ত ১১১ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথটি শুধু গুরুত্বপূর্ণই নয়, এটি প্রযুক্তিগতভাবেও বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এটি ভারতীয় রেলের বহু কাঙ্ক্ষিত উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুল্লা রেল সংযোগ (ইউএসবিআরএল) প্রকল্পের একটি অংশ। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল কাশ্মীর উপত্যকাকে রেলপথে দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করা।
আরও পড়ুন: পড়শি দেশে চরমে পৌঁছেছে জ্বালানি সঙ্কট! বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রি করে বার্ষিক কত টাকা আয় করে ভারত?
সফরের সময় কমবে: PTI জম্মু বিভাগের সিনিয়র ডিসিএল উচিৎ সিংঘালকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে, এই রুটে গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় সফরের সময় কমবে। তিনি বলেন, ‘ট্র্যাকে গতি বৃদ্ধি শুধু সফরের সময়ই কমাবে না, বরং জম্মু ও কাশ্মীরে যোগাযোগ ব্যবস্থাও শক্তিশালী করবে। যাত্রীরা আরও দ্রুত, নিরাপদ এবং আরামদায়ক ভ্রমণ উপভোগ করবেন। এর ফলে এই অঞ্চলের পর্যটন, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও গতি পাবে।’
আরও পড়ুন: FD-র সুদের হারে পরিবর্তন করল SBI! ১৫ অগাস্ট থেকে লাগু নতুন রেট, এখন মিলবে কত রিটার্ন?
প্রধানমন্ত্রী মোদী এই রুটের উদ্বোধন করেন: জানিয়ে রাখি যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২৫ সালের ৬ জুন এই রুটে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সফরের শুরুর মাধ্যমে এই অংশটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেন। সেই সময়ে এই ট্রেন শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা এবং শ্রীনগরের মধ্যে চলত।














