ভাঙা অংশ লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তিই নয়! অভিষেকের পার্টি অফিস মামলায় বড় দাবি রাজ্যের

Published on:

Published on:

Calcutta High Court order on Abhishek Banerjee party office demolition case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গত ১৮ জুলাই আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) পার্টি অফিস ভাঙা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে নতুন তথ্য উঠে এল। রাজ্যের দাবি, ভাঙা অংশ তৃণমূল কংগ্রেস অথবা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তিই নয়।

কলকাতা হাইকোর্টে যা হল… | (Calcutta High Court)

১৮ জুলাই অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিসে বুলডোজার চলেছে। এরপর সোজা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস। রবিবার, ছুটির দিনে দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী। এরপর ফের আজ শুনানির ছিল।

আরও পড়ুনঃ গ্রামে গ্রামে আর থমকে থাকবে না কাজ! গ্রামোন্নয়নের কাজে গতি আনতে বিরাট পদক্ষেপ রাজ্যের

এদিনের শুনানিতে রাজ্যের এজি সুরজিৎ নাথ মিত্র বলেন, ভাঙা অংশ তৃণমূল অথবা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি নয়। ৫০৯ ও ৫১২ নম্বর দাগে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের মালিকানা রয়েছে। এদিকে যে অংশ ভাঙা হয়েছে, তার দাগ নম্বর ৫০৭।

এই দাবি করে সংশ্লিষ্ট পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশের নির্দেশ প্রত্যাহার করার আবেদন জানান রাজ্যের এজি। পাল্টা অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত দাবি করেন, ওই পার্টি অফিস ভাঙার ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত আইন মানা হয়নি। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসকে নূন্যতম নোটিশটুকুও দেওয়া হয়নি।

এদিন উভয় পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর বড় নির্দেশ দেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। তিনি বলেন, আগামী ৬ আগস্ট অবধি আমতলার ওই কার্যালয় ভাঙা নিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। ৬ তারিখ দুপুর ২টোর সময় মামলার পরবর্তী শুনানি।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে পালাবদলের আগেই অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিস নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। সুশান্ত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, নকশা ছাড়াই পাঁচতলা ওই ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন।

Calcutta High Court stay order on Abhishek Banerjee party office demolition

গত ৩০ জুন অভিষেকের বাবা তথা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, সুশান্ত মণ্ডল ও মতিউর রহমান মল্লিককে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। ১৫ জুলাই নির্দিষ্ট সময়ে সব পক্ষকে হাজির হতে বলা হয়েছিল। তবে হাজিরা দেননি অমিত। এরপর তাঁকে আরও একটি নোটিশ দিয়ে পার্টি অফিস ভেঙে ফেলা হবে বলে জানানো হয়।

সেই অনুযায়ী গত ১৮ জুলাই অভিষেকের পার্টি অফিসে বুলডোজার নামে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। এদিন সেই মামলার শুনানিতেই স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।