‘মানুষের মতো বাঁচার অধিকার বন্দিদেরও আছে’, জেলের ভিড় কমাতে কড়া দাওয়াই হাইকোর্টের

Published on:

Published on:

Calcutta High Court orders to improve the situation in the state's correctional facilities
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্যের সংশোধনাগার(Correctional home) গুলির পরিস্থিতি শোধরাতে কলকাতা হাইকোর্ট(Calcutta High Court) এবার নির্দেশ দিল। এর আগেও বারবার হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ এসেছে। কিন্তু রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়নি। বুধবার এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্ট। বর্তমানে রাজ্যে কতগুলি সংশোধনাগার আছে এবং সেগুলির পরিস্থিতি কী তা জানাতেও নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট।

সংশোধনাগারগুলির পরিস্থিতি শোধরাতে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ

সংশোধনাগারের ব্যাপারে রাজ্যকে রিপোর্টও দিতে বলেছে আদালত। ১ মাসের মধ্যে রাজ্যকে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে যে নতুন সংশোধনাগার তৈরি করতে কত খরচ হবে, কত জন বন্দিকে সেখানে রাখা যাবে আর এই ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহ: শাববার রাশিদি।

সংশোধনাগার গুলিতে পর্যাপ্ত কর্মচারী আছে কিনা, শূন্য পদ থাকলে, সেখানে নিয়োগ হয়েছে কিনা, ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সংশোধনাগারে কতজন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে, এই সমস্ত তথ্যও জানাতে হবে রাজ্যকে। সেই সঙ্গে জানাতে হবে বন্দী মৃত্যুর পর ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে কিনা, কোনও জেলে অতিরিক্ত বন্দি আছে কিনা, কতজন বন্দি বেশি রয়েছে সেখানে, সে ব্যাপারেও তথ্য চেয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:মালদহের মহানন্দায় বালি মাফিয়াদের দাপট, সব দেখেও কেন ‘চুপ’ প্রশাসন?

এইসব কিছুর সঙ্গে বন্দীদের অসুস্থতায় কি ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয় সেটাও জানাতে হবে রাজ্যকে। শিশু এবং অন্ত:সত্ত্বা যে মহিলারা আছেন, তাদের চিকিৎসার কোনও ব্যবস্থা আছে কিনা, ৯ মার্চ সেই রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যকে। রাজ্যের আইনজীবী অমল সেন রাজ্যকে আরও একটু বেশী সময় দেওয়ার জন্য বলেছিলেন।

আরও পড়ুন:‘বন্ধু’র ভূমিকায় খাকি উর্দি, মাধ্যমিকের দিনে নজর কাড়ল বর্ধমান জেলা পুলিশ

Calcutta High Court orders to improve the situation in the state's correctional facilities

এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের বক্তব্য, আদালত যে বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছে, তার তথ্য পেতে বেশি সময় লাগার কথা না। ফলে ওই সময়ের মধ্যেই রাজ্যকে রিপোর্ট দিতে হবে। অন্যদিকে রাজ্যের জেলা এবং নিম্ন আদালতে, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচালনার খরচ সংক্রান্ত মামলায় এদিন রাজ্যের আইনজীবী অমল সেন জানান ফেব্রুয়ারি মাসেই ২ এবং ৭ তারিখে হাইকোর্ট, রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে দু দফায় বৈঠক করেছে আর খরচ হিসেবে আদালত পরিচালনার জন্য ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে খরচের বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক।