স্বস্তিতে পবিত্র কর! প্রথম দফার আগেই এফআইআর মামলায় বড় নির্দেশ দিল হাই কোর্ট

Published on:

Published on:

Calcutta High Court Relief Pabitra Kar FIR Case Before Polls
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের ঠিক আগে বড় স্বস্তি পেলেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর (Pabitra Kar)। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআর নিয়ে আদালতে শুনানির পর আপাতত কড়া পদক্ষেপে রাশ টানল হাই কোর্ট। তবে পুরো বিষয়টি এখানেই থেমে যাচ্ছে না। তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আর রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এই ঘটনায় নতুন মোড়।

স্বস্তিতে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর (Pabitra Kar)

কলকাতায় হাই আদালতের নির্দেশে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর (Pabitra Kar) । বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, এখনই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। তবে তদন্তের প্রক্রিয়া চালু থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে সামনে আনা হয়েছে পবিত্র করকে। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার দিনই তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। এই প্রেক্ষিতেই পবিত্র করের (Pabitra Kar) বিরুদ্ধে হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের হয়। সেই এফআইআর খারিজ করার দাবিতে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। সামনে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট, তাই দ্রুত শুনানির আবেদনও করেছিলেন তিনি। সেই মামলারই শুনানি হয় বৃহস্পতিবার।

অন্যদিকে, এই এফআইআরের সূত্রপাত শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ থেকে। তাঁর দাবি, পবিত্র কর (Pabitra Kar) বিজেপির প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েও তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন, যা আইনবিরুদ্ধ। শুধু তাই নয়, নন্দীগ্রামে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগও তোলেন তিনি। এই অভিযোগের জেরে নির্বাচন কমিশনও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়।

Pabitra Kar moves Calcutta High Court over FIR

আরও পড়ুনঃ মহিলা সংরক্ষণে ‘ঐতিহাসিক’ দাবি মোদীর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

তবে পাল্টা জবাব দিতে পিছপা হননি পবিত্র করও (Pabitra Kar)। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে যে অশান্তি, মামলা বা সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা উঠে আসছে, তার পেছনে শুভেন্দু অধিকারীরই ভূমিকা রয়েছে। পরিস্থিতির চূড়ান্ত বিচার হবে ভোটের ফলেই—এমনটাই ইঙ্গিত দেন তিনি।