জমির খতিয়ানে নাম রয়েছে চার ভাইয়ের! তাহলে চারজনই পিএম কিষাণ যোজনা পাবে কিনা জানুন

Published on:

Published on:

Can four brothers get PM Kisan Yojana benefits together
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেশের কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দিতে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা তথা পিএম কিষাণ যোজনা (PM Kisan Yojana) চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রকল্পের (Government Scheme) মাধ্যমে যোগ্য কৃষকদের বছরে মোট ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একটি জমির খতিয়ানে একাধিক ভাইয়ের নাম নথিভুক্ত আছে। তাহলে কি তাঁরা প্রত্যেকে আলাদাভাবে পিএম কিষাণ যোজনার সুবিধা পাবেন? এই নিয়ে সরকারি নিয়ম কী বলছে জেনে নিন।

পিএম কিষাণ যোজনার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম | (PM Kisan Yojana)

কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের নিয়ম বলছে, এক পরিবারের একাধিক সদস্য এর সুবিধা পান না। সেক্ষেত্রে জমির খতিয়ানে দুই বা চার ভাইয়ের নাম আছে মানে তাঁরা সবাই আলাদাভাবে পিএম কিষাণ যোজনার সুবিধা পাবেন এমনটা নয়। তবে প্রত্যেক ভাইয়ের জমির অংশ আলাদাভাবে স্পষ্ট করে নথিভুক্ত থাকলে ও তাঁরা নিজেদের অংশের জমিতে চাষ করলে প্রত্যেকের আলাদাভাবে সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে শেষ অবধি প্রকল্পের নিয়ম ও সরকারি নথি অনুযায়ী যোগ্যতা নির্ধারিত হয়।

আরও পড়ুনঃ ছোট্ট একটি ভুলেই বাতিল হচ্ছে বহু রেশন কার্ড! ফের কীভাবে চালু করবেন জানুন

শুধুমাত্র একটি পরিবারের জমিতে একাধিক ব্যক্তির নাম নথিভুক্ত আছে মানেই সবাই আলাদা আলাদাভাবে পিএম কিষাণ যোজনার সুবিধা পাওয়ার দাবিদার হয়ে যান না। যোজনায় সকল কৃষকের নাম সঠিকভাবে নথিভুক্ত থাকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের সকল যোগ্য সদস্য যদি আলাদা কৃষক হিসেবে নথিভুক্ত থাকেন ও তাঁদের জমির অংশীদারিত্বের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে, তাহলে তাঁরা নিজেদের নামে প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন।

এক্ষেত্রে পিএম কিষাণ যোজনায় পরিবারের সংজ্ঞা কী বলছে সেটাও জেনে রাখা উচিত। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, স্বামী, স্ত্রী ও নাবালক সন্তানরা একই পরিবারের সদস্য। তবে প্রাপ্তবয়স্ক ভাইয়েরা যদি আলাদাভাবে বসবাস করেন, নিজেদের জমিতে কৃষিকাজ করেন ও সরকারি নথিতে আলাদা কৃষক হিসেবে নথিভুক্ত থাকেন, তাহলে প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের সুবিধাও আলাদাভাবে বিবেচনা করা হতে পারে।

PM Kisan Yojana

পিএম কিষাণ যোজনার সুবিধা পাওয়ার জন্য কেওয়াইসি, রেজিস্ট্রেশন ও জমি সংক্রান্ত সঠিক নথি দেওয়া বাধ্যতামূলক। সেই কারণে একটি জমির খতিয়ানে দুই বা চার ভাইয়ের নাম থাকলেও প্রথমে নিজের জমির অংশ, পরিবারের পরিস্থিতি, রাজস্ব নথি ও পিএম কিষাণের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত। তাতে বুঝে নেওয়া যাবে সব ভাইয়েরা আলাদাভাবে প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য কিনা।

পিএম কিষাণ যোজনার মাধ্যমে কৃষকদের বছরে মোট ৬ হাজার টাকা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। উপভোক্তাদের তিনটি কিস্তিতে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। গত জুন মাসে প্রকল্পের ২৩ তম কিস্তি দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ২৪ তম কিস্তির অপেক্ষায় দিন গুনছেন সকলে।