বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিজেপি করার জন্য উপভোক্তারা পাচ্ছেন না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmir Bhandar) প্রকল্পের টাকা। সম্প্রতি এমনই অভিযোগে সরগরম হয় রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনার জল গড়ায় আদালতে। সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে রিপোর্ট দিতে হবে এই বিষয়ে। ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এরই মধ্যে উপভোক্তারা পেলেন সুখবর।
ফেব্রুয়ারীতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ঢুকতে শুরু করল | Laxmir Bhandar
১৭ তারিখের ডেডলাইন দিয়েছিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। তার আগেই তড়িঘড়ি ফেব্রুয়ারি মাসের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। খুশির হাওয়া পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার অন্তর্গত ময়না ব্লকের বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েতে।
এতদিন পর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মেলায় খুশি মহিলারা। তবে পাঁচ মাসের টাকা বকেয়া রয়েছে তাঁদের। টাকা পেয়ে এক মহিলা বলেন, “পাঁচ থেকে ছ’মাসের টাকা ঢোকেনি। এবার টাকা ঢুকেছে। আমরা খুব খুশি। তবে গত পাঁচ মাসের বকেয়া পাইনি।”
উল্লেখ্য, ভোটমুখী রাজ্যে এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয়েছিল মামলা। অভিযোগ ছিল, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার অন্তর্গত ময়না ব্লকের বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েতে মিলছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। অভিযোগ ছিল গ্রামপঞ্চায়েত বিজেপির দখলে হওয়ায় রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন না প্রাপকরা।
ওদিকে রাজ্যের তরফে রাজ্যের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এই টাকা দিয়ে থাকে। সেখানে এই বিষয়ে কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। অনুসন্ধান চলছে৷ সেই সময় রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এই বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করে জানানো হবে। এর জন্য তিনি আদালতের কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নেন। এরপরই ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়।

আরও পড়ুন: করতে হবে করমর্দন! ভারতের সঙ্গে ম্যাচ খেলার প্রসঙ্গে ICC-র সামনে ৩ টি শর্ত রাখল পাকিস্তান
আদালতের নির্দেশের পর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতে শুরু করলেন সেই মহিলারা। তবে বকেয়া কি মিলবে? গত ৬ মাসের প্রাপ্য লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিয়ে শুনানি রয়েছে আগামী ১৭ই ফেব্রুয়ারি। আগামী শুনানিতে হাইকোর্ট কী নির্দেশ দেয় সেটাই দেখার।












