বাংলাহান্ট ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে জনগণনা। পশ্চিমবঙ্গেও জনগণনার প্রস্তুতি চরমে। রাজ্য সরকারের তরফে বিভিন্ন স্তরে জনগণনার (Census 2027) জন্য আধিকারিক নিয়োগ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডিভিশনাল কমিশনারদের ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার, জেলাশাসকদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার, অতিরিক্ত জেলাশাসকদের ডিস্ট্রিক্ট সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
ভারতের জনগণনার (Census 2027) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অফিসারদের
ডিস্ট্রিক্ট প্ল্যানিং অফিসার, ডিস্ট্রিক্ট স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার, জেলা ইনফরমেটিক্স অফিসার এবং জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের অতিরিক্ত জেলা গণনা আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মহকুমা শাসক এবং মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটরা সাব ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার হিসেবে কাজ করবেন। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারদের চার্জ সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে নিয়োগ: শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে জনগণনার জন্য পুরসভা স্তরের আধিকারিকদের নিয়োগ করা চলছে। মিউনিসিপ্যাল কমিশনারদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং পুরসভা স্ট্যাটিউটরি টাউনের এক্সিকিউটিভ অফিসার, প্রশাসক এবং সচিবদের টাউন সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। নিজেদের নির্ধারিত এলাকায় জনগণনার পরিচালনা, সহায়তা বা তদারকি করবেন এই অফিসাররা।
আরও পড়ুন : আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেও মিলবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, কাদের নাম বাদ পড়বে?
অফিসার নিয়োগে কড়াকড়ি: নির্দেশিকায় কিছু সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনও জনগণনা (Census 2027) আধিকারিক বা জনগণনা সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি যদি দায়িত্ব পালন না করেন বা অন্যের কাজে বাধা দেন তবে জনগণনা আইন ১৯৪৮ এর ১১ নম্বর ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
আরও পড়ুন : বলিউডে ‘ব্যান’ রণবীর, ইন্ডাস্ট্রিতে কেরিয়ারে ইতি ‘ধুরন্ধর’এর?
জানা গিয়েছে, জনগণনা আইন ১৯৪৮ এর বিধান অনুযায়ী, এই নিয়োগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকার গঠনের পর বাংলার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তিনি জানান, ওইদিন থেকেই রাজ্যে শুরু হয়েছে জনগণনার প্রক্রিয়া।













