বিয়ে-বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে সর্বত্র এক আইন, লোকসভা নির্বাচনের আগেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর তোড়জোড় কেন্দ্রের

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : আর বছর ৩ পর দেশের লোকসভা নির্বাচন। আগামী ২০২৯ সালে হবে পরবর্তী নির্বাচন। তার আগেই দেশের সমস্ত এনডিএ জোটে থাকা রাজ্যগুলিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড চালু করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। রবিবার মুম্বই থেকে এক সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি আরও জানান, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে বিয়ে, বিবাহ বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত পারিবারিক আইনগুলির ক্ষেত্রে রাজ্য নির্বিশেষে অভিন্ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

দেশের একাধিক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর পরিকল্পনা

সাংবাদিক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ২০২৯ সালের আগেই বিজেপি ও এনডিএ জোটভুক্ত মোট ২১ টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে বলেই তাঁর বিশ্বাস। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে চলে সরকার। তা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, এয়ার স্ট্রাইক, অপারেশন সিঁদুর এর মতো পদক্ষেপেই প্রমাণিত।

Central Government to start uniform civil code

কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বিগত কয়েক দশকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল অনুচ্ছেদ ৩৭০ রদ। এছাড়াও নকশাল সমস্যা, উত্তর-পূর্বের অশান্তির স্থায়ী সমাধানও করেছে কেন্দ্র। জানা যাচ্ছে, সরকার বদলের পর রাজ্যেও ইউসিসি চালু করার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে দিয়েছে বিজেপি।

আরও পড়ুন : কাটারও আছে টেকনিক, এভাবে ইলিশ কাটলেই মিলবে আসল স্বাদ-গন্ধ

বৈঠক করেছে কমিটি: প্রস্তাবিত ইউসিসি আইনের (Uniform Civil Code) খসড়া চূড়ান্ত করতে দিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের এক প্রশাসনিক বৈঠক করেছে রাজ্য সরকারের দ্বারা গঠিত বিশেষ ইউসিসি কমিটি। এই কমিটির তৈরি করা খসড়া প্রতিবেদনের উপরে ভিত্তি করেই পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিলটি পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে খবর।

আরও পড়ুন : আদ্রা ডিভিশনে ফের বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন, যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত এক্সপ্রেসের, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

সূত্রের খবর, উত্তরাখণ্ড, গুজরাট, অসমের মতো যে রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই এই ধরণের আইন কার্যকর রয়েছে, খসড়া তৈরির ক্ষেত্রে সেই মডেলগুলি খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।