৬ বছর আগের ক্ষোভ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ কবীর শঙ্কর বসুর

Published on:

Published on:

Complaint against TMC Kalyan Banerjee by BJP leader Kabir Shankar Basu
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রাক্তন জামাই তথা BJP নেতা কবীর শঙ্কর বসুর (Kabir Shankar Bose) করা অভিযোগে জেরে এবার বেকায়দায় পড়লেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। অভিযোগ ২০২০ সালে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ জন তৃণমূলকর্মী হামলা চালিয়েছিল তার ওপর। প্রসঙ্গত তৃণমূল আমলে শ্রীরামপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে দু’বার প্রার্থী হয়েছিলেন কবীর শংকর। কিন্তু হেরে যান তিনি।

BJP নেতা কবীর শঙ্কর বসুর অভিযোগে বেকায়দায় তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

তবে এখন সময় বদলেছে, রাজ্যে পালাবদলের পর এবার বড় পদক্ষেপ নিলেন কবীর শংকর। শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ জানানোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন তিনি বললেন, ‘ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার আসার পর মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে ভায়োলেন্সের কেস গুলো হয়েছে, যেখানে আমরা বিচার পাইনি। সেই কেসগুলো আবার দেখা হবে। আপনারা সবাই জানেন ২০২০ সালে কিভাবে আমার উপর একটা ভয়ঙ্কর হামলা হয়েছিল, শ্রীরামপুরের বুকে। তখন আমি ছিলাম ভিক্টিম। পুলিশ ভিক্টিমকেই অ্যারেস্ট করেছিল। আমার ওপরে হামলা হয়, আমার দেহরক্ষীদের মারা হয়।’

বিজেপি নেতার দাবী, ‘আমার গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়, আমার বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়। আমার ওপরে মিথ্যা কেস দিয়ে আমাকে অ্যারেস্ট করা হয়। এটা ছিল তৃণমূল সরকারের আন্ডারের পুলিশ। আজকে পরিবর্তন হয়েছে । আজকে পুলিশ সঠিকভাবে অ্যাকচুয়াল যে ঘটনাটা ঘটেছে এফ আই আর রেজিস্টার করে তদন্ত চলছে।’

আরও পড়ুনঃ আর অশান্তি নয় বেআইনি নির্মাণ ভাঙা বা উচ্ছেদে! আগাম প্রস্তুতির জন্য নির্দেশিকা জারি লালবাজারের

সরাসরি নাম নিয়েই এদিন তিনি বললেন, ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১০০ থেকে ২০০ জনের একটা মব যেভাবে আমার ওপরে হামলা চালিয়েছিল, সিআইএসএফের ওপরে হামলা চালিয়েছিল সম্মানীয় সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারে সেটা সিবিআইএ যায়। সিবিআই তদন্ত করার পর সেটা পুরোপুরি মিথ্যা ঘোষিত হয়েছে। সুতরাং এবার সঠিকভাবে তদন্ত হওয়া উচিত।’

বিজেপি নেতার আরও সংযোজন, ‘আমি সেই আর্জি জানিয়েছি। FIR রেজিস্টার হয়েছে, তদন্ত চলছে। তালিকায় নাম রয়েছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বেশ কিছু কাউন্সিলর যারা উপস্থিত ছিলেন তারা। এছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেসের যে সমস্ত কার্যকর্তা স্পটে ছিলেন তাদেরও নাম রয়েছে। এছাড়াও নাম না জানা অনেকে আছে । জেলা সভাপতি এখন যিনি হয়েছেন পাপ্পু সিং ওনার নাম উল্লেখ আছে। বিজয় সাগর মিশ্র যিনি দাঁড়িয়ে থেকে আমাকে মেরে ফেলার হুংকার দিয়েছিলেন তার নাম আছে।’

একইসাথে এদিন তিনি বললেন, ‘যে ঘটনাটা ঘটেছিল ২০০ জন মিলে আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করেছিল। আমার কেসটার তদন্ত কবে হবে? ওটা তো ওরা ওদের কেসটার সিবিআই দিয়ে তদন্ত করিয়েছিল, যেটা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ওরা যে আমার বাড়ি ভাঙল,গাড়ি ভাঙল আমার দেহরক্ষীদের আক্রান্ত করল সেই তদন্তটা সঠিকভাবে এখন পুলিশ করছে।’