বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলায় গত ৫ ফেব্রুয়ারী, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ ছিল, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ-র ১০০ শতাংশই রাজ্য সরকারি কর্মীদের মিটিয়ে দিতে হবে। রাজ্যের সমস্ত দাবি খারিজ করে রাজ্য সরকারি কর্মীদের পক্ষেই রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার। নতুন সরকারও ডিএ মেটাতে উদ্যোগী। ইতিমধ্যেই একটা বড় অংশের অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে বকেয়া।
বকেয়া DA-র টাকা মিলবে কিস্তিতে? Dearness Allowance
ইতিমধ্যেই সরকারি কর্মীদের ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ইতিমধ্যে একটা অংশের পিএফ তহবিলে এবং গ্রুপ ডি-দের ক্ষেত্রে স্যালারি অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। তার আগের অর্থাৎ ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের যে অংশ তা চারটি কিস্তিতে কর্মীদের দিতে প্রস্তাব রাজ্য সরকারের। ডিএ মামলা এখনও সুপ্রিম কোর্টে। এরই মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটাতে বেশ কিছুটা সময় চাইল সরকার।
চার কিস্তির মধ্যে, ২০২৬ সালে একটি, ২০২৭ সালে দুটি এবং ২০২৮-এর জানুয়ারিতে শেষ কিস্তি দিতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কাছে প্রস্তাব জমা করেছে রাজ্য। রাজ্য সরকারকে কমিটি। বলেছে, প্রথম কিস্তির টাকা ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হোক।
রাজ্য জানায়, ৬৪,৭৫৯ জনের ই-সার্ভিস বুক এখনও পর্যন্ত স্ক্যান করে আপলোড করা হয়েছে। এই সরকারি কর্মীদের প্রথম কিস্তির ডিএ ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়ার প্রথম কিস্তি মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই প্রায় ৬৫০০০ জনের বকেয়া মেটানোর কথা বলেছে আদালত কর্তৃক গঠিত কমিটি।

আরও পড়ুন: সপ্তম পে কমিশনের সুবিধা থেকে বাদ ১৫০০০ সরকারি কর্মী! মিলবে না DA-ও
পেনশনভোগীদের ২০০৮ থেকে ২০১৯ সময়ের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি কমিটিকে জানিয়েছে রাজ্য। এর মধ্যে কলকাতা পুরসভা এলাকার অন্তর্গত পেনশনভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, তাঁদের বকেয়া এখনো না-দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও রাজ্য কমিটিকে জানিয়েছে। পাশাপাশি এই সমস্যা মেটাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেই বিষয়েও কমিটিকে অবগত করেছে রাজ্য।













