বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) আগে ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট বাজেটে (Dearness Allowance) রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছিল মমতা সরকার। তবে সেই বর্ধিত মহার্ঘ ভাতা এখনও মেলেনি বলে অভিযোগ। সম্প্রতি সেই হিসেব বুঝে নিতে নির্বাচনে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকদের একাংশ (Teachers)।
ডিএ সহ একাধিক সুবিধা থেকে ‘বঞ্চিত’ শিক্ষকেরা | Dearness Allowance
একেই বর্ধিত ৪% ডিএ মেলেনি। আবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া মেটানোর কাজ শুরু হলেও শিক্ষকেরা এখনও কোনো টাকা পাননি। পাচ্ছেন না সরকারি হেলথ স্কিমের সুবিধাও। এই সমস্ত অভিযোগ জড়ো করে রাজ্য সরকারকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি ‘ক্ষুব্ধ’ শিক্ষকদের।
শিক্ষকদের একাংশের কথায়, ডিএ বা যে কোনো সুবিধার ক্ষেত্রে বঞ্চিতদের তালিকায় সবার উপরে শিক্ষকেরা অবস্থান। এর ফলস্বরূপ শিক্ষক সমাজের মধ্যে সরকারের প্রতি যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে সেটা তাঁদের পক্ষে ভাল নয় বলেই মত তাঁদের। বিধানসভায় ঘোষণা হয়েছে গত ৫ ফেব্রুয়ারী। তার প্রায় দু’ মাস পরেও কেন মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হল না সেই নিয়ে হতাশ সরকারি কর্মীরা।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুসারে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এ বিষয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বাজেটের দিন ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে বলেছিলেন এপ্রিল থেকেই লাগু হবে। কিন্তু দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও নবান্ন থেকে অর্ডার বের হয়নি। লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, কর্মচারী সরকারের পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন। এ মাসের বেতন বিল সাবমিট করেননি এখনও। আজ-কালের মধ্যে অর্ডার বেরিয়ে যাবে বলে আশা করছি।
আরও পড়ুন: বাড়ছে তাপমাত্রা, এরই মধ্যে মঙ্গল থেকে ফের বৃষ্টি শুরু দক্ষিণবঙ্গে : আবহাওয়ার আগাম খবর
এরপরই হুঁশিয়ারির সুরে স্বপনবাবু বলেন, “সরকারকে এটা মনে রাখতে হবে আর মাত্র সাত দিন পরেই পোস্টাল ব্যালটে ভোট। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব সেখানে পড়তে পারে।’’ উল্লেখ্য, বাজেটে অর্থপ্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করার বিষয়টি জানিয়েছিলেন। আরও জানিয়েছিলেন বর্ধিত ভাতা আগামী অর্থবর্ষের শুরু থেকে অর্থাৎ ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। তবে এখনও সেই বিষয়ে কোনো আপডেট নেই। বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। বাজেটে ঘোষিত ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে এখনও কোনও উচ্চবাচ্য নেই সরকারের। সবমিলিয়ে কর্মচারী মহলে বাড়ছে উদ্বেগ।












