বাংলাহান্ট ডেস্ক : বাঙালি আর টয়ট্রেনের (Toy Train) সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। পর্যটকদের আগ্রহ বাড়াতে নানান উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে হিমালয়ান রেলওয়ের তরফে। আর এবার আবারও এক উদ্যোগ নেওয়া হল রেলের তরফে। এবার চা পাতা তুলতেও যাওয়া যাবে টয়ট্রেনে চেপে। চলবে নাচ, গান, খাওয়াদাওয়াও।
টয়ট্রেনের (Toy Train) বিশেষ পরিষেবা উপহার ডিএইচআর এর
কিন্তু হঠাৎ কেন এমন বেনজির উদ্যোগ? জানা যাচ্ছে এর নেপথ্যে রয়েছে রয়েছে একটি বিশেষ কাহিনি। সেই ১৯২০ সালে কোচবিহারের এক রাজকন্যা এসেছিলেন দার্জিলিং সফরে। কিন্তু স্থানীয় হোটেলের অনুষ্ঠানে একঘেয়ে লাগায় দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের তৎকালীন ম্যানেজারের সহায়তায় তিনি গোপনে বেরিয়ে পড়েন সেখান থেকে। জ্যোৎস্নারাতে টয়ট্রেনে বসে তাঁর নিজস্ব পার্টি। সেই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাই আবারও ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে ডিএইচআর।

কী কী পরিষেবা থাকবে: জানা যাচ্ছে, পর্যটকদের জন্য তিনটি নতুন চার্টার্ড টয়ট্রেন (Toy Train) পরিষেবা চালু হতে চলেছে। সঙ্গে উপরি পাওনা হিসেবে থাকবে ট্রেকিং, হাইকিং, স্থানীয় গোর্খা জাতির সঙ্গে খাওয়াদাওয়া, নাচগানের আয়োজনও থাকছে বন দফতরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে। প্রত্যেক পূর্ণিমার রাতে মিলবে এই বিশেষ পরিষেবা।
আরও পড়ুন : এবার থেকে সপ্তাহে দু-তিন ডিম ভাত, পড়ুয়াদের মিড ডে মিল নিয়ে বিশেষ পদক্ষেপ সরকারের
কখন শুরু হবে পরিষেবা: বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে দার্জিলিং থেকে সফর শুরু করবে ট্রেন। যাত্রার মাঝে তিনধারিয়া ওয়ার্কশপ দেখতে পাবেন পর্যটকরা। রংটং থেকে সুকন্যা হয়ে গুলমায় গিয়ে শেষ হবে টয়ট্রেনের এই বিশেষ যাত্রা। ট্রেনে যাত্রীদের দেওয়া হবে তিব্বতি চা। গুলমায় নাচগানের আসরের সঙ্গে রাতের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে। আর যদি ভাগ্য ভালো থাকে তবে চাঁদনি রাতে চা পাতা তুলতেও যেতে পারবেন পর্যটকরা।
আরও পড়ুন : লক্ষ লক্ষ ডকুমেন্ট আপলোডই হয়নি! কী হবে সেই বৈধ ভোটারদের?
ডিএইচআর এর ডিরেক্টর বলেন, হেরিটেজ টয়ট্রেনের সঙ্গে এখানকার সংষ্কৃতি, ঐতিহ্যের সঙ্গে পর্যটকদের একাত্ম হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ। কার্শিয়াংয়ে টয়ট্রেনের মিউজিয়াম দেখার সুযোগ পাবেন পর্যটকরা।
















